ঢাকা • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে দেবিদ্বারে জমি বিরোধে চাচা-চাচিকে পেটালেন নৌবাহিনী কর্মকর্তা, ভেঙেছে ৩ আঙুল ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা; নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার আসামির বাড়ি থেকে বের হওয়ার চারদিন পর ধান খেতে মিললো কিশোরীর লাশ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয় অবিবাহিত দিবস: একা আছি, বেশ আছি! ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

ব্যঙ্গ করে নাম ডাকায় হোমনায় কিশোরের ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

অনলাইন সংস্করণ
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ • ৭৭ বার পঠিত
ব্যঙ্গ করে নাম ডাকায় হোমনায় কিশোরের ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন
  • অনলাইন ডেস্ক:
কুমিল্লার হোমনায় ব্যঙ্গ করে নাম ডাকা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে এক কিশোরের ছুরিকাঘাতে মো. কাউসার আলম (১৬) নামের আরেক কিশোর খুন হয়েছে। এ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কাইয়ুম (১৭) নামের আরেক কিশোর আহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার চান্দেরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাউসার তাতুয়ার চর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। সে চান্দেরচর বাজারে একটি আসবাবের দোকানে কাজ করত। খুনে অভিযুক্ত কিশোর চান্দেরচর এলাকার বাসিন্দা। সে পেশায় রিকশাচালক। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, চান্দেরচর বাজারের ওই আসবাব তৈরির দোকানে কাউসার ছাড়াও নাজমুল হোসেন, কাইয়ুম, সাইদুল ইসলাম, সাব্বির নামের কয়েকজন তরুণ কাজ করে। সেই দোকানের পাশেই চান্দেরচর আলিম মাদ্রাসা। ২ ফেব্রুয়ারি ওই মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী শায়খ ইসলাম ও ইমন মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় আসবাবের দোকানে কর্মরত নাজমুল তার বন্ধু সাব্বিরকে ‘সাবরি’ বলে ডাক দেয়। তখন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শায়খ মনে করে ব্যঙ্গ করে তাঁকে ‘সাবরি’ বলে ডাকা হয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে চান্দেরচর এলাকায় বসা মেলায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ইমন ও তার এলাকার বন্ধু রিকশাচালক শাহাদত হোসেন আসে। মেলার মধ্যে আসবাবের দোকানে কর্মরত কাউসার, কাইয়ুম, নাজমুল ও সাইদুলের সঙ্গে তাদের দেখা হয়। এ সময় পূর্ববিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাহাদাত আশপাশের কোনো স্থান থেকে ছুরি এনে কাউসারের বুকে আঘাত করে। আর ইমন কাইয়ুমের পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন কাউসার ও কাইয়ুমকে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে কাউসারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় কাউসারের মৃত্যু হয়। পরে স্বজনেরা কাউসারের মরদেহ এলাকায় নিয়ে আসেন। এদিকে কাউসারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা চান্দেরচর গ্রামে গিয়ে অভিযুক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে হোমনা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার সকালে কাউসারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফার্নিচার দোকানে কর্মরতদের পুরোনো বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে। তাদের ধরার চেষ্টা করছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত একজন রিকশাচালক এবং অপরজন দাখিল পরীক্ষার্থী। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন