ঢাকা • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে দেবিদ্বারে জমি বিরোধে চাচা-চাচিকে পেটালেন নৌবাহিনী কর্মকর্তা, ভেঙেছে ৩ আঙুল ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা; নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার আসামির বাড়ি থেকে বের হওয়ার চারদিন পর ধান খেতে মিললো কিশোরীর লাশ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয়

মুরাদনগরে ভারত থেকে চোরাই পথে আসছে চিনি

অনলাইন সংস্করণ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ • ৮১ বার পঠিত
মুরাদনগরে ভারত থেকে চোরাই পথে আসছে চিনি
  • নিজিস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় অবৈধ পথে প্রতিদিন প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের চিনি আসছে ভারতীয় সিমান্তবর্তী এলাকা ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার কসবা এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার নয়নপুর এলাকা দিয়ে। সেসব চিনি মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজার ও বাঙ্গরা বাজার এলাকা থেকে বিক্রি হচ্ছে পার্শবর্তী উপজেলার দেবিদ্বার, তিতাস, মেঘনা, হোমান, নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে। অবৈধভাবে এসব চিনি আসায় সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব, অন্যদিকে দেশের চিনি শিল্পে ঘটছে ব্যাপক ক্ষতি। সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা সদরের প্রয়াত হাজী শুক্কুর আলীর ছোট ছেলে জামাল বাহিনীর ১৭ সদস্য বিশিষ্টি একটি চোরাকারবারি চক্র নিয়ন্ত্রণ করছে এসব চিনি ক্রয়-বিক্রয়। চক্রটি প্রতিদিন কমপক্ষে শতাধিক পিকআপে করে অবৈধ পথে নিয়ে আসা এসব ভারতীয় চিনি বিক্রয় করছে প্রশাসনের নাকের ডগায়। অন্যদিকে দেশের বাজারের তুলনায় দাম কমে পাওয়ায় এ চিনির কারবার বেড়েই চলেছে এবং স্থানীয় বাজারসহ জেলার অধিকাংশ বাজারে ওই চিনিতে সয়লাব হয়ে গেছে বলে দাবি স্থানীয় সচেতন মহলের। স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা বলছে, এতে এক শ্রেণির মানুষ লাভবান হলেও দেশীয় চিনিশিল্প হুমকির মুখে পড়ছে। সেই সঙ্গে দ্রুত এই চোরাচালান বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিইচ্ছুক এক প্রাইকারি ব্যবসায়ী জানান, চোরাকারবারীর প্রধান জামাল উদ্দিন বিজিবির ভূয়া অকশেনের কাগজ তৈরী করে থানা এবং হাইওয়ে পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরকে ধোঁকা দিয়ে মূলত এসব চিনির বস্তা পরির্বতন করে বাজারে বিক্রি করছে। বিভিন্ন সময় পুলিশ এসব চিনির পিকআপ আটক করলেও বিজিবির ভূয়া কাগজ দেখিয়ে পার পেয়ে যায় জামাল। ব্যবসায়ী মানিক পোদ্দার বলেন, বাজারের চিনির তুলনায় ভারতীয় চিনির প্রতি বস্তায় ৭-৮শত টাকা ব্যবধান হওয়ায় দেশীয় চিনি কেউ এখন আর কিনতে চায় না। কেউ কেউ আবার ভারতীয় চিনির বস্তা পরিবর্তন করে দেশীয় চিনি বলে বেশি দামে বিক্রয় করছে। মূলত প্রশাসনের কোন ধরনের তৎপরতা না থাকায় বাজারে খোলামেলাই মিলছে এসব চিনি। বর্তমানে মুরাদনগর উপজেলার সকল বাজারের চিনি মানেই ভারতীয় চিনি, দেশীয় চিনির কোন অস্তিত্বিই নেই এখন বাজারে। অভিযুক্ত চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের প্রধান জামাল উদ্দিন বলেন, ভারতীয় চিনি এসব কোম্পানীগঞ্জ বাজারে পাওয়া যায় আমি বিক্রি করি না। আগে অকশনে ভারতীয় কিছু চিনি পেতাম সেগুলো আমি বিক্রি করতাম এখন আর অকশনে পাই না তাই বিক্রিও করি না। আর আমার যে গোডাউন গুলো রয়েছে সেগুলোতে চাল রাখি, চিনি না। মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল ও বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী দুজনেই একসুরে গলা মিলিয়ে বলেন, ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে আসা চিনির ব্যাপারে আমরা কিছুই জানি না। এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভুইয়া জনী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি সত্যি হলে অচিরেই মোবাইল কোর্টের মাধ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন