ঢাকা • ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে দেবিদ্বারে জমি বিরোধে চাচা-চাচিকে পেটালেন নৌবাহিনী কর্মকর্তা, ভেঙেছে ৩ আঙুল ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা; নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার আসামির বাড়ি থেকে বের হওয়ার চারদিন পর ধান খেতে মিললো কিশোরীর লাশ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয় অবিবাহিত দিবস: একা আছি, বেশ আছি! ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

মা সহ কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ মিললো ভাড়া বাসায়

অনলাইন সংস্করণ
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ • ৮৮ বার পঠিত
মা সহ কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ মিললো ভাড়া বাসায়
ডেস্ক রিপোর্ট: কুমিল্লা নগরীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থী ও তার মায়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার একটি ভাড়াটে বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন: কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪০) ও তাদের মেয়ে সুমাইয়া আফরিন (২২)। সুমাইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানান, নিহতদের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাত ২টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তিনি জানান, নিহতদের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বামী নুরুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে তাহমিনা বেগম ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভাড়াবাসায় থাকতেন। বড় ছেলে আলামিন আহমেদ ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। ছোট ছেলে ফয়সাল আহমেদ কুমিল্লা ইপিজেডের একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তার স্ত্রী ঢাকায় থাকেন এবং মাঝেমধ্যে কুমিল্লায় আসা-যাওয়া করতেন। নিহতের ছেলে ফয়সাল জানান, শুক্রবার তিনি ঢাকায় যান স্ত্রীর কাছে। রোববার রাতে কুমিল্লায় ফিরে বাসায় এসে দরজা খুলতে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে দরজা ধাক্কা দিলে খুলে যায়। ভেতরে গিয়ে দুই কক্ষে মা ও বোনের মরদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশকে খবর দেন। - সময়

আরও পড়ুন