ঢাকা • ৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয় অবিবাহিত দিবস: একা আছি, বেশ আছি! ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন "​রক্তযোদ্ধা মানব সংগঠনের উদ্যোগ: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৩০০টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন" কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪ দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা, যুবক আটক অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক

সৌন্দর্য্য নষ্ট করছে একমাত্র ওয়াই আকৃতির শেখ হাসিনা-তিতাস সেতু'র

অনলাইন সংস্করণ
২৮ জুন ২০২০, ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ • ৬০ বার পঠিত
সৌন্দর্য্য নষ্ট করছে একমাত্র ওয়াই আকৃতির শেখ হাসিনা-তিতাস সেতু'র

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শতকোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত দেশের একমাত্র ওয়াই আকৃতির 'শেখ হাসিনা-তিতাস সেতু' নির্মাণের দুবছরের মাথায় সৌন্দর্য্য কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে একদল ভূমিখেকোদের বিরুদ্ধে।

দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত দর্শনার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। স্থানীয়দের জোর দাবি ভূমিখেকোদের হাত থেকে সেতু পাড়ের দখলকৃত জমি উদ্ধার করে অবিলম্বে সৌন্দর্য্য ফিরিয়ে দেওয়ার।

বৃহত্তর কুমিল্লার বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগর উপজেলার সংযোগ স্থলে নির্মিত ওয়াই আকৃতির শেখ হাসিনা-তিতাস সেতুটি ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উক্ত সেতু উদ্বোধন করেন।

৭৭১ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৮.১০ মিটার প্রস্ত এ সেতুটি ৯৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে বাস্তবায়ন করেছে নাভানা বিল্ডার্স।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রীজের পূর্ব পাড়ের চরলহনীয়া নামক স্থানে তিতাস নদীর ভিতরে প্রায় ২ একর জায়গা জুড়ে বিশাল বাঁধ দিয়ে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে স্থাপনা তৈরির লক্ষে ভরাটের কাজ চলছে।

তার পাশেই রয়েছে দুটি কফি হাউজের স্থাপনা। যার ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে সৌন্দর্য্য হারাতে বসছে দেশের একমাত্র দৃষ্টিনন্দন ওয়াই সেতুটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলেন, সেতুটি নির্মাণের পরে বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগর উপজেলার প্রায় ১০ লাখ লোকের যাতায়াতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে।

যার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়টিকে পূঁজি করে হোটেল-মোটেল নির্মাণের পাঁয়তারা করছে একটি প্রভাবশালী চক্র । তাদের গঠিত চক্রটি সফল হয়ে গেলে সেতুর আরো দুই পাশ বেদখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উক্ত ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা নদী দখলের সাথে জড়িত নয় বলে জানায়। কে দখল করছে এমন প্রশ্নে নাম বলতে আপত্তি জানিয়ে অভিযুক্তরা মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন সারোয়ারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত আছি, এ বিষয়টি এসিল্যান্ড কে জানানো হয়েছে, এখানে সরকারি জমি কতোটুকু আছে এবং কারা করছে সব কিছুই আমরা তদন্ত করবো।

https://youtu.be/mfRIqzQlOMg

ইউটিউবে ভিডিও সংবাদ দেখুন

আরও পড়ুন