সাজ্জাদ হোসেন শিমুল:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার স্থানীয় গরুর বাজারে ৭ লাখ টাকা দাম হাঁকা এক বিশাল আকৃতির গরু ক্রেতা না পেয়ে দিন শেষে ফেরত নিতে হয়েছে মালিককে। আকার-আকৃতি ও গঠনে সবার নজর কাড়লেও উচ্চমূল্যের কারণে কেউই এগিয়ে আসেননি—এমনকি দর কষাকষিরও সাহস দেখাননি কোনো ক্রেতা।
সোমবার মুরাদনগর উপজেলার পাচকিত্তা এলাকার বাহেরচর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী হৃদয় খান বিক্রির উদ্দেশ্যে গরুটি বাজারে নিয়ে আসেন। বাজারে থাকা অন্যান্য গরুর তুলনায় আকার, উচ্চতা ও শারীরিক গঠনে ব্যতিক্রম হওয়ায় গরুটিকে ঘিরে সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে গরুটির বিশালত্ব দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং ছবি তুলতেও ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
তবে আগ্রহ থাকলেও নির্ধারিত ৭ লাখ টাকা দামের কারণে কোনো ক্রেতাই কেনার সাহস দেখাননি। এমনকি দিনভর বাজারে অবস্থান করেও কেউ দর কষাকষির উদ্যোগ নেননি বলে জানান গরুর মালিক।
হৃদয় খান বলেন, “গরুটার ওজন প্রায় ১৭ থেকে ১৮ মণ হবে। গঠন ও উচ্চতার দিক থেকে এটি বাজারের সেরা গরুগুলোর একটি। কিন্তু সকাল থেকে বসে থেকেও কেউ দামাদামি করতে এগিয়ে আসেনি। তাই বাধ্য হয়ে গরুটি বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বড় গরুর প্রতি আগ্রহ থাকলেও অতিরিক্ত দামের কারণে অনেক ক্রেতাই পিছিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বড় আকৃতির গরু বাজারে আকর্ষণ তৈরি করলেও বিক্রির ক্ষেত্রে দেখা দিচ্ছে অনিশ্চয়তা।
এদিকে, উচ্চমূল্যের গরু কেনাবেচা নিয়ে ক্রেতাদের দ্বিধা-দ্বন্দ্বের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে স্থানীয় বাজারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাজার পরিস্থিতি ও ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম নির্ধারণ না করলে এমন চিত্র আরও দেখা যেতে পারে।
- (হৃদয় খান) মোবাইল: 01921-700128
ঠিকানা: গ্রাম: বাহেরচর, পাচকিত্তা, মুরাদনগর, কুমিল্লা