ঢাকা ২৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ গোমতী ইয়ুথ সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক শুভ্র চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে শিক্ষাগত অনার্স বা ডিগ্রি পাশ হতে হবে - হাইকোর্ট ঋণের কিস্তি তুলতে এসে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনজিওকর্মী আটক ফুটবল ফাইনালের পর পারিবারিক কলহ, অভিমানে প্রাণ দিলেন যুবক রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট স্পেনের জয়ে সেজদা, প্রতিবন্ধীকে মারধরের অভিযোগ ফাইনাল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ আর্জেন্টিনার হারে সমর্থকের আত্মহত্যার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে নিহত যুবক তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ কাটবেন না লামিনে ইয়ামাল আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাংবাদিক শুভ্রের আবেদন

মুক্তিযোদ্ধারা কার্ড দেখিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন সংস্করণ
২২ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ ৪৪ বার পঠিত
মুক্তিযোদ্ধারা কার্ড দেখিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ডেস্ক রিপোর্ট:
মুক্তিযোদ্ধারা সপ্তাহে এক দিন ‘কার্ড দেখিয়ে’ সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সচিবালয়ে নোটিশ দিয়ে দেব। মুক্তিযোদ্ধারা এলে যেন সম্মানের সঙ্গে সচিবালয় প্রবেশ করতে পারেন। সপ্তাহে প্রতিদিন যাওয়ার দরকার নেই। এক দিন যাবেন মুক্তিযোদ্ধারা।’ আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের অডিটোরিয়ামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে সম্মান করেন, বঙ্গবন্ধুর পরে আর কেউ (এ রকম সম্মান) দেননি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নানা সুবিধা দিয়েছেন, হাসপাতাল করা হয়েছে, সেখানে ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন।’ মীরজাফরের বংশধর এখনো বেঁচে রয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সহ্য করতে পারে না। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব ও দেশ স্বাধীন করার অবদান স্বীকার করে না। সে জন্য তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানিত হলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’ মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নানা স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু জনগণকে সম্পৃক্ত করেই স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন, যার কারণে সবাই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। আমরা ঢাকার কাছে চলে আসছিলাম। ঢাকা দখল করে ফেলার মতো অবস্থায় চলে আসছিলাম। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমি গিয়েছি। কিছুদিন আগেই বর্ডার এলাকায় গিয়েছিলাম। অনেক মুক্তিযোদ্ধার কবর বর্ডার এলাকায় রয়েছে।’ আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধারা যত দিন বেঁচে আছি, সবাই একসঙ্গে থাকব, একসঙ্গে চলব। আমরা সব সময় বাংলাদেশের বিজয়ের কথা বলব। আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছি, তখন আমাদের কাছে হাতিয়ার ছিল না। একটি জিনিস ছিল, একটি স্লোগান ছিল—‘জয় বাংলা’। আমাদের একটি দাবি ছিল, জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগানে পরিণত করা হোক। আজকে সেটা জাতীয় স্লোগানের পরিণত হয়েছে। সে জন্য প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) কাছে সবকিছুতেই ঋণী।’ আগামী নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধারা সরকারের পাশে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ অন্য মুক্তিযোদ্ধারা। সংবাদ: আজকের পত্রিকা

আরও পড়ুন