ঢাকা ৮ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মুরাদনগরে ৯৪ প্রাথমিকে নেই প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য ৯৩টি কুমিল্লায় খেলা নিয়ে সংঘর্ষে ব্রাজিল সমর্থক নিহত মাইকের আওয়াজ কমাতে বলায় জবি ছাত্রীকে মারধর চীনে ৩২৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেওয়ার দায়ে সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কুমিল্লার আদর্শ সদরে ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ব্রাহ্মণপাড়ায় বোনের ভাড়া বাসা থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর ক্লাসরুমেই বিষপান ৭৭ লাখ টাকার খাল খনন প্রকল্প: কাগজে শ্রমিক মাঠে ভেকু মাকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে যুবককে হত্যা করল সন্তানরা! গ্রেপ্তার ৬ ব্রাহ্মণপাড়ায় ভারতীয় বিয়ারসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাঙ্গরায় রাশিদা হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

অনলাইন সংস্করণ
৮ অক্টোবর ২০২৪, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ ২৯ বার পঠিত
বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে দিলেন প্রধান শিক্ষক
  • সাজ্জাদ হোসেন শিমুল:
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়াই প্রাথমিক বিদ্যলয়ের গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন এক প্রধান শিক্ষক। তিন দিনে বিদ্যালয়ের তিনটি কড়ইগাছ ও একটি সুপারি গাছ কোন প্রকার প্রক্রিয়া ছাড়াই বিক্রি করেছেন তিনি। কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কায়ছারুল আলমের দাবী সহকারী শিক্ষা অফিসারের অনুমতি নিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধলক্ষ টাকার ৪টি গাছ বিনা টেন্ডারে কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয়দের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। গাছের গুড়ি ও কাটা গাছ গুলো বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ​সরকারি স্কুলের গাছ নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়া কিভাবে কেটে নিয়েছে এই নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ​এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কায়ছারুল আলম বিক্রি করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের পাশের বাড়ির আব্দুল খালেকের ছেলে মামুন ভূইয়া স্কুলের সিমানা সংলগ্ন গাছগুলো লাগিয়ে ছিলেন। তাই মামুন গাছগুলো কেটে নিতে চাইলে আমি সহকারি শিক্ষা অফিসার হায়াতুন্নবীর স্যারের অনুমতি নিয়ে গাছগুলো কেটে নিতে বলি। ​এবিষয়ে অভিযুক্ত মামুন বলেন, যায়গা আমাদের গাছগুলো আমরাই লাগিয়েছি। তাই আমাদের গাছ আমরা কেটে নিয়েছি। ​উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ হায়াতুন্নবী বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছেন গাছগুলো মামুন নামের এক লোক লাগিয়েছেন। তারা গাছগুলো কেটে নিতে চাচ্ছে। তারা যেহেতু গাছগুলো লাগিয়েছে তাই আমি অনুমতি দিয়েছি কেটে নিয়ে যেতে। স্কুলের সিমানা নির্ধারন করার পর বুঝা যাবে গাছের মালিক কে। ​এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমি তিনদিন ছুটিতে ছিলাম তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, সরকারি জমি থেকে গাছ কেটে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরও পড়ুন