ঢাকা ১৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ হাত-পা বেঁধে ও মুখে কাপড় ঢুকিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা কুমিল্লায় সাংবাদিক শুভ্রর ওপর এক যুগ ধরে অপরাধচক্রের তাণ্ডব: মামলা-জিডি করেও মিলছে না নিরাপত্তা ‘খামারগ্রাম’ নয়, বাঙ্গরা মৌজাতেই সদর দপ্তরের দাবি মুরাদনগরে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল জাবির ইবনে ওমর দশম শ্রেণির ছাত্রকে দিয়ে এসএসসি’র খাতা মূল্যায়ন, দুজন গ্রেফতার লাকসামে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লা বাঙ্গরায় জামাত নেতার বিরুদ্ধে ১০বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ ‘স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছি’ বলে থানায় আত্মসমর্পণ স্বামী সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা ইসলামপুরে এমপি সুলতান মাহমুদ ও বিএনপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর

পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে চাঁদপুরের এক যুবকসহ নিহত ৫, আহত অর্ধশতাধিক

অনলাইন সংস্করণ
১৮ এপ্রিল ২০২১, ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ ২৭ বার পঠিত
পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে চাঁদপুরের এক যুবকসহ নিহত ৫, আহত অর্ধশতাধিক
ডেস্ক রিপোর্টঃ
চট্টগ্রামে বাঁশখালীতে বেসরকারি পর্যায়ে দেশের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘এসএস পাওয়ার প্লান্ট’-এর শ্রমিকদের দাবি না মানায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরো আহত এবং গুলিবিদ্ধ অর্ধশতাধিক। শনিবার (১৭ এপ্রিল) সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন কিশোরগঞ্জের ফারুক আহমদের ছেলে মাহমুদ হাসান রাহাত (২২), চুয়াডাঙ্গার অলিউল্লাহর ছেলে মো. রনি হোসেন (২৩), নোয়াখালীর আব্দুল মতিনের ছেলে মো. রায়হান (১৯), চাঁদপুরের মো. নজরুলের ছেলে মো. শুভ (২২) এবং বাঁশখালীর পূর্ব বড়ঘোনার আবু ছিদ্দিকীর ছেলে মাহমুদ রেজা (১৯)। সংঘর্ষে গণ্ডামারা পুলিশ ফাঁড়ির তিন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- ইয়াসির (২৪), আহমদ কবির (২৬) ও আসাদুজ্জামান (২৩)। আর ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। রমজানের শুরু থেকে শ্রমিকরা কর্মঘণ্টা কমানোর দাবি জানাচ্ছেন। তারা বর্তমানে যেভাবে কাজ করছেন, সে হিসাবে ইফতার করতে সময় পান না। শ্রমিকদের মূল দাবি ছিল ১০ ঘণ্টার ডিউটি রমজানে কমিয়ে আট ঘণ্টা করা হোক। যেন শ্রমিকরা ইফতারের সময় পান। শুরু থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দাবি জানালেও মূল ঘটনার আগের দিন (শুক্রবার) প্রকাশ্যে আসেন তারা। সেদিনের আন্দোলনে কর্মঘণ্টার সঙ্গে যথাসময়ে বেতন পরিশোধ, ঝুঁকিভাতা প্রদানসহ আরও কয়েকটি দাবি যুক্ত হয়। তবে ঘটনা ঘিরে স্থানীয় শ্রমিকদের উস্কানিও আছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা। এসবের পর শুক্রবার কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি-দাওয়া বিবেচনা করার আশ্বাস দেয়। পরদিন শনিবার আবারও শ্রমিকরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত জানতে জড়ো হতে শুরু করে। বিক্ষোভে কিছুটা বিচ্ছিন্ন সহিংসতাও হয়। পরে কর্তৃপক্ষ থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে শ্রমিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ গুলি ছুঁড়লে তাতে পাঁচ শ্রমিক নিহত হন। শনিবার সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বাঁশখালীতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেয়া হবে। নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে তিন লাখ এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা করা হবে।’ এছাড়া ঘটনার তদন্তে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকেও গঠন করা হয়েছে আরেকটি তদন্ত কমিটি। ওই কমিটিতে আছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাশেন ও ক্রাইম) জাকির হোসেন, রেঞ্জ কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) নেছার উদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) কবির হোসেন। তাদেরকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন