ঢাকা ১৮ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ এক যুগ ধরে হামলা-চাঁদাবাজির শিকার সাংবাদিক শুভ্র: প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মিলছে না নিরাপত্তা নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে ৩৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ নিরাপত্তা খাতে অগ্রাধিকার: উন্নত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের অপরিহার্য ভিত্তি - টিপু তিন দফা দাবিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফটকে অবস্থান পরীক্ষার্থীদের মুরাদনগরে পুকুর থেকে সেচ প্রকল্পের মালিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আংশিক কমিটি ঘোষণা হাত-পা বেঁধে ও মুখে কাপড় ঢুকিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা কুমিল্লায় সাংবাদিক শুভ্রর ওপর এক যুগ ধরে অপরাধচক্রের তাণ্ডব: মামলা-জিডি করেও মিলছে না নিরাপত্তা ‘খামারগ্রাম’ নয়, বাঙ্গরা মৌজাতেই সদর দপ্তরের দাবি মুরাদনগরে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল জাবির ইবনে ওমর

নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

অনলাইন সংস্করণ
১৭ জুলাই ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ ৩৩ বার পঠিত
নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে নাম-পরিচয়, চেহারা, জীবনযাপন—সবকিছু বদলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার নাকের নিচে থাকা একটি জন্মচিহ্ন এবং নিজের মুখে দেওয়া একটি পরিচয়ই ভেঙে দেয় চার দশকেরও বেশি সময়ের ছদ্মবেশ।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন আগে মোজাফফর নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলেন। নতুন নামে জীবন শুরু করেন, বদলে ফেলেন চেহারা, পোশাক ও চলাফেরার ধরন। পুরোনো পরিচিতজন, আত্মীয়স্বজন এবং অতীতের প্রায় সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন, যাতে কোনোভাবেই তার অবস্থান শনাক্ত করা না যায়। জীবনের শেষভাগে তিনি গোপনে দেশে ফিরে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে বসবাস শুরু করেন। নিজেকে একজন অবসরপ্রাপ্ত, সাধারণ ও রাজনীতিবিমুখ বৃদ্ধ হিসেবে পরিচিত করে তুলেছিলেন।

ডিবির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দাদের কাছে আগে থেকেই মোজাফফরের একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্যের তথ্য সংরক্ষিত ছিল। তার নাকের ঠিক নিচে একটি তিল বা আঁচিলসদৃশ কালো দাগ ছিল, যা জন্মগত হওয়ায় পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এ চিহ্নকেই শনাক্তকরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে ধরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন