ঢাকা ১৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ হাত-পা বেঁধে ও মুখে কাপড় ঢুকিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা কুমিল্লায় সাংবাদিক শুভ্রর ওপর এক যুগ ধরে অপরাধচক্রের তাণ্ডব: মামলা-জিডি করেও মিলছে না নিরাপত্তা ‘খামারগ্রাম’ নয়, বাঙ্গরা মৌজাতেই সদর দপ্তরের দাবি মুরাদনগরে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল জাবির ইবনে ওমর দশম শ্রেণির ছাত্রকে দিয়ে এসএসসি’র খাতা মূল্যায়ন, দুজন গ্রেফতার লাকসামে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লা বাঙ্গরায় জামাত নেতার বিরুদ্ধে ১০বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ ‘স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছি’ বলে থানায় আত্মসমর্পণ স্বামী সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা ইসলামপুরে এমপি সুলতান মাহমুদ ও বিএনপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর

কুমিল্লায় রোগীর পেটে ব্যান্ডেজ-তুলা রেখে সেলাই করে দিলেন চিকিৎসক

অনলাইন সংস্করণ
১০ আগস্ট ২০২০, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ ৩২ বার পঠিত
কুমিল্লায় রোগীর পেটে ব্যান্ডেজ-তুলা রেখে সেলাই করে দিলেন চিকিৎসক
কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার বরুড়ায় পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন করা ও পেটের ভেতর তুলা-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দিয়েছেন চিকিৎসক। ১২ এপ্রিল ওই উপজেলার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন মাস অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার পর ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে রোগীকে সুস্থ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব নামে ফেয়ার হসপিটালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়ার রাজাপুর গ্রামের কাশেম শফি উল্লার মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ওই রাতে স্বজনরা তাকে ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করান। ১৩ এপ্রিলে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে অপারেশন করেন ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব। ওই সময় পেটে তুলা-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন তিনি। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। কিন্তু তিন মাসেও ব্যথা না কমায় বোনের আলট্রাসনোগ্রাফি করান ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। রিপোর্টে পেটে অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে পুঁজ বের করেন। মামলার বাদী তানজীদ রফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও ডা. রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপরারেশন করেন। আমি তাদের বিচার চাই। কুমিল্লার বরুড়ায় পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন করা ও পেটের ভেতর তুলা-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দিয়েছেন চিকিৎসক। ১২ এপ্রিল ওই উপজেলার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন মাস অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার পর ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে রোগীকে সুস্থ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব নামে ফেয়ার হসপিটালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়ার রাজাপুর গ্রামের কাশেম শফি উল্লার মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ওই রাতে স্বজনরা তাকে ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করান। ১৩ এপ্রিলে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে অপারেশন করেন ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব। ওই সময় পেটে তুলা-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন তিনি। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। কিন্তু তিন মাসেও ব্যথা না কমায় বোনের আলট্রাসনোগ্রাফি করান ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। রিপোর্টে পেটে অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে পুঁজ বের করেন।মামলার বাদী তানজীদ রফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও ডা. রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপরারেশন করেন। আমি তাদের বিচার চাই।আসামি ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, অপারেশনের দিন ও রোগীকে ছাড়পত্র দেয়ার দিন আমি ছিলাম না। অপারেশন করেছেন ডা. রাজিব। ওই সময় রোগীর পিরিয়ড চলছিল। পিরিয়ডের কারণে তার পেটে ব্যথা হয়েছে ভেবে আমি ওষুধ দিয়েছি। আরেক আসামি ডা. রাশেদ উজ-জামান রাজিব বলেন, যেহেতু ঘটনার চার মাস পার হয়েছে। আমি বিস্তারিত জেনেই কথা বলবো।

আরও পড়ুন