ঢাকা ২৯ আগস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের মুরাদনগর শাখার নতুন কমিটি গঠন সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে দাদী ও নাতনি নিহত কুমিল্লায় চলন্ত স্লিপার কোচে ভয়াবহ আগুন, ভাগ্যক্রমে বাঁচলেন যাত্রীরা কুমিল্লায় পেট ব্যথার চিকিৎসায় দুই দফা অস্ত্রোপচার, রোগীর মৃত্যু সরকারি চিকিৎসকের দরজায় নির্দেশনাটি কে লাগিয়েছে খোঁজা হচ্ছে মুরাদনগরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, পলাতক স্বামী কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলা: ফের গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত দাউদকান্দিতে বাঁশের ঠেকনায় টিকে আছে জরাজীর্ণ সেতু, আতঙ্কে চলাচল আজ বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতির নির্বাচন আব্দুল মোমেন-আবির- বিল্লাল নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত, আহত ২৫

আগামি প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষন করতে হবে : এমপি বাহার

অনলাইন সংস্করণ
১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ ৫৬ বার পঠিত
আগামি প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষন করতে হবে : এমপি বাহার
প্রদীপ দেব, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেছেন আগামি প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এ প্রজন্মের সন্তানদের কাছে তুলে ধরতে হবে। এমপি বাহার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা করেছে, বাংলাদেশের মানুষের উপর অত্যাচার, লোটপাট, ধর্ষন নির্যাতন করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশ আজ মাথা তুলে দাড়িয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি স্মৃতিসৌধ নির্মানে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ধন্যবাদ জানান। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের অন্যতম যুদ্ধক্ষেত্র কুমিল্লা সদর উপজেলার কটকবাজারে শহীদ স্মৃতসৌধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং উদ্বোধন করেন। ১৯৭১ সালের ৯ মে কুমিল্লা ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা কটকবাজার এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৩১ পাঞ্জাব ও ৩৯ বেলুচ রেজিমেন্টের সাথে ২ নং সেক্টরের যুদ্ধ সংগঠিত হয়, এ যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন ২ নং সেক্টরের ক্যাপ্টেন রেজাউর আহমেদ। এখান থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা ভারতে ট্রেনিং যুদ্ধ প্রস্তুতি সহ মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালিত হতো। এ যুদ্ধে ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পাকিস্তানের শতাধীক সেনাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়। কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। উপস্তিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল ফজল মীর, কুমিল্লা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখি, সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শফিউল আহমেদ বাবুল।

আরও পড়ুন