ঢাকা • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ "​রক্তযোদ্ধা মানব সংগঠনের উদ্যোগ: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৩০০টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন" কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪ দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা, যুবক আটক অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর

সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে ঘটলো স্মৃতির সমাপ্তি, উপরে পরেছে গাছ

অনলাইন সংস্করণ
২৬ অক্টোবর ২০২২, ২:১০ অপরাহ্ণ • ৫৫ বার পঠিত
সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে ঘটলো স্মৃতির সমাপ্তি, উপরে পরেছে গাছ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বৃক্ষ সকল দিক থেকেই মানুষের উপকারী। অক্সিজেন প্রদান করে কিংবা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহন করে। তবে কিছু কিছু বৃক্ষের সাথে মানুষের জড়িয়ে থাকে অসংখ্য সুন্দর মূহুর্ত। সেইসব মুহূর্তগুলোকে স্মৃতির পাতায় আবদ্ধ করে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মূলসহ উঠে পড়েছে কুমিল্লার মুরাদনগরের দূর্গা রাম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পুরাতন কৃষ্ণচূড়া গাছটি। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে পাশাপাশি অবস্থিত দুইটি কৃষ্ণচূড়া গাছ সর্বদাই মানুষকে আকৃষ্ট করতো তার স্ব-মোহে। ফুলগুলো ছড়িয়ে ছিটয়ে থাকতো বেরিবাঁধ সড়কের উপর যেগুলো নিয়ে আসতো অবিরাম প্রশান্তি। গ্রীষ্মের তাপাদাহে অসংখ্য শিক্ষার্থীদের দিয়েছে শীতল স্নেহের ছায়া। গোমতী বেরি বাঁধের নিকটবর্তী মাঠের পাশে দাড়িয়ে থাকা গাছের নিচে স্বভাবতই ভীর জমাতো বিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্ররা। এছাড়াও ফুটবল খেলার সময় মানুষের আসন হিসেবে ব্যবহৃত হতো গাছটি। জ্বালানি হিসিবে ঝড়ে যাওয়া ডালপালা কুড়িয়ে নিতো সাধারণ মানুষজন। গাছটি পড়ে যাওয়ায় পুরাতন বর্তমান শিক্ষার্থীরা সহ অসংখ্য মানুষদের লক্ষ্য করা গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যথিত মনোভাব প্রকাশ করতে। বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী আনাস আহমেদ বলেন, স্কুলে থাকতে আমরা বিরতির সময় বন্ধুরা মিলে এই গাছতলায় আড্ডা দিতাম। ফুলের পাপড়ী গুলোকে বইয়ের ভেতরে দিয়ে রাখতাম। গাছের নিচে দাড়ালে মনে হতো ফিরে গিয়েছি স্কুলজীবনের মধুর লগ্নে। আজ গাছটি পরে যাওয়ায় মনের অজান্তেই কষ্ট অনুভব হচ্ছে। স্মৃতি বিজড়িত গাছটি প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলতো সকলের মাঝে। প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান বলেন, গাছটি পুরানো ছিল। বিদ্যালয় মাঠের সৌন্দর্য বর্ধনে গাছটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এতবড় স্মৃতিবিজড়িত গাছ পরে যাওয়া দুঃখের। আমরা আরো প্রতিনিয়ত বৃক্ষরোপণ করি ছাত্রদের উৎসাহ দিতে। আরো কিছু ফুল গাছ লাগাবো যেন এই ভবিষ্যতে এই গাছটির মতো স্নেহের পরশ দান করতে পারে।

আরও পড়ুন