ঢাকা ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা, যুবক আটক অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর হোমনায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যুবকের আত্মহত্যা কুমিল্লায় মাদ্রাসা শিক্ষা কর্মচারী ফোরামের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মুরাদনগরে সাংবাদিকের উপর হামলায় ছাত্রলীগ সভাপতিসহ কারাগারে-৪

অনলাইন সংস্করণ
১১ নভেম্বর ২০২০, ৭:৩১ অপরাহ্ণ ৫০ বার পঠিত
মুরাদনগরে সাংবাদিকের উপর হামলায় ছাত্রলীগ সভাপতিসহ কারাগারে-৪
ফয়সাল মবিন পলাশঃ
কুমিল্লার মুরাদনগরে দিন-দুপুরে বাড়িতে ঢুকে সাংবাদিক শরিফুল আলম চৌধুরীর উপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় পালিয়ে থাকা দারোরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুজ্জামানসহ চার আসামী আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তাদেরকে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়।
গতকাল বুধবার দুপুরে কুমিল্লার নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক রফিকুল ইসলাম একজনকে এবং ৮নং আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সামছুর রহমান ৩জনকে কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। আসামীরা হলেন-কাজিয়াতল গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে দারোরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুজ্জামান, আলী হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম, রেনু মিয়ার ছেলে আল-আমিন ও মালেক মিয়ার ছেলে নাইম মিয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেন, বাদী পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ তানভীর আহমেদ ফয়সাল।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল গ্রামের একদল সন্ত্রাসী দিন-দুপুরে একই গ্রামের সাংবাদিক শরিফুল আলম চৌধুরীর ঘরে ঢুকে টেনে হিছড়ে ওঠানে বের করে এনে কুপিয়ে, পিটিয়ে তার হাত-পা ভেঙে দেয়। তার কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মামলা করেন সাংবাদিক শরিফের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন চৌধুরী।
সাংবাদিক শরিফুল আলম চৌধুরীর বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন চৌধুরী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলের দুই হাত ও দুই পায়ে এ পর্যন্ত ৭টি অপারেশন হয়েছে। দীর্ঘ ৫ মাস যাবত সে শয্যাসায়ী। শেষ বয়সে এই নাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখে যেতে চাই। ওই দিনের ঘটনা মনে হলে আমি এখনো ঘুম থেকে আতকে ওঠি।

আরও পড়ুন