ঢাকা • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ দেবিদ্বারে জমি বিরোধে চাচা-চাচিকে পেটালেন নৌবাহিনী কর্মকর্তা, ভেঙেছে ৩ আঙুল ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা; নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার আসামির বাড়ি থেকে বের হওয়ার চারদিন পর ধান খেতে মিললো কিশোরীর লাশ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয় অবিবাহিত দিবস: একা আছি, বেশ আছি! ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন "​রক্তযোদ্ধা মানব সংগঠনের উদ্যোগ: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৩০০টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন" কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪

কুমিল্লায় পুলিশি হেফাজতে নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন সংস্করণ
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ • ৮০ বার পঠিত
কুমিল্লায় পুলিশি হেফাজতে নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
তানভীর ইসলাম আলিফ, হোমনা (কুমিল্লা) কুমিল্লার হোমনা থানার হেফাজতে হামিদা ওরফে ববিতা (৩২) নামে এক নারী আসামির আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে থানার ‘নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্ক’ কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হামিদা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকালে হামিদা তার সতীনের ছেলে সায়মন (১১)–কে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করেন। এতে শিশুটির পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা হামিদাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ওই রাতেই আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে হামিদাকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হোমনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হামিদাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল। তার সঙ্গে চার বছরের একটি শিশু থাকায় তাকে হাজতখানায় না রেখে থানার ‘নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্ক’ কক্ষে রাখা হয়। সেখানে অন্য এক নারী আসামি ও একজন নারী গ্রাম পুলিশ পাহারায় ছিলেন। এরই মধ্যে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সবার অগোচরে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। থানা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার আরও জানান, ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করবেন। এরপর ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন