ঢাকা ২৭ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বিতর্ক না মিটতেই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে ৬ শিক্ষকের নতুন পদায়ন কুমিল্লায় ‘টেটাযুদ্ধে’ নারী নিহত, আহত ৪০ সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মিয়ার খাদ্যনালীতে অস্ত্রোপচার হিপ প্রতিস্থাপনের পর দ্রুত সেরে উঠছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, বুধবার মিলতে পারে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র বাঙ্গরায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা ও ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাংগরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের হিপ রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার সফল সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে ভর্তি ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, আজ হিপ রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার কুমিল্লায় বাঙ্গরা উপজেলা প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন গোমতী ইয়ুথ সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক শুভ্র

আগদামে গণহারে আগুন দিচ্ছে আর্মেনীয় সেনাবাহিনী

অনলাইন সংস্করণ
১৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ ৪০ বার পঠিত
আগদামে গণহারে আগুন দিচ্ছে আর্মেনীয় সেনাবাহিনী
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
কারাবাখের আগদাম অঞ্চলে ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর অঞ্চলটির বেশ কিছু অবকাঠামোতে আগুন ধরিয় দিয়েছে আর্মেনীয় সেনাবাহিনী। এর মধ্যে থানা, বসতি ও নিরাপত্তা চৌকি রয়েছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদলু জানিয়েছে, আজারবাইজানের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে দেখা যাচ্ছে, আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর অবস্থানগুলো থেকে ধোয়া বেড়ে চলছেই। যেসব এলকা খালি হচ্ছে, যেখানে বসতি ছেড়ে নাগরিকরা বের হয়ে যাচ্ছেন, সেসব এলাকাই আগুনে পোড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে পুলিশ স্টেশন, দালান ও নিরাপত্তা চৌকিতে আগুন দেয়া হচ্ছে। আগদাম জেলাটি আগামী ২০ নভেম্বর আজারবাইজানের হাতে সমপর্ণ করার কথা রয়েছে। ১৯৯১ সালে আর্মেনীয় সেনাবাহিনী নাগোরনো-কারাবাখের এই অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করে। এরপর থেকেই সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ২৭ সেপ্টম্বর থেকে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে চলে এই যুদ্ধ। ৪৪ দিনের টানা যুদ্ধে আজারবাইজান প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম দখলমুক্ত করে। সবশেষ ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে মস্কো, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চুক্তি হয়।

আরও পড়ুন