ঢাকা ৯ আগস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলা: ফের গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত দাউদকান্দিতে বাঁশের ঠেকনায় টিকে আছে জরাজীর্ণ সেতু, আতঙ্কে চলাচল আজ বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতির নির্বাচন আব্দুল মোমেন-আবির- বিল্লাল নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত, আহত ২৫ কুমিল্লার দেবিদ্বারে প্রাইমারি স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে আ.লীগের মিছিল কিস্তির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে গ্রাহকের গরু নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মীরা মুরাদনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিএনপির দোয়া মাহফিল বেইলি সেতু ভেঙে নদীতে, দুর্ভোগে দুই জেলার হাজারো মানুষ কুমিল্লার বাঙ্গরায় রোটারি ক্লাব ও মমতাজ বেগম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর জুলাই স্মৃতি সমাবেশে ‘জুলাই’ গ্রন্থের রচয়িতা সাংবাদিক শাহাজাদা এমরানকে বিশেষ সম্মাননা

পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিলো না- প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত

অনলাইন সংস্করণ
১২ আগস্ট ২০২০, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ ৪৩ বার পঠিত
পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিলো না- প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত
ডেস্ক রিপোর্টঃ অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা যখন গুলিবিদ্ধ হন, সে সময় তার পাশেই ছিলেন তার তথ্যচিত্রের কাজের সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত। পরে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে গিয়ে সিফাতকে হাতকড়া পরিয়েই রাখা হয় কয়েক ঘন্টা। করা হয় জিজ্ঞাসাবাদ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিওতেই বোঝা যায় কী ঘটেছিলো সেদিন। তথ্যচিত্রের জন্য ছবি ধারণ করতে বিকালে পাহাড়ে ওঠেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা, সঙ্গী ছিলেন সিফাত। আটক হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদেও বলেছিলেন, পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোন আগ্নেয়াস্ত্র ছিলো না। সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত বলেন, 'না কোন অস্ত্র ছিলো না। আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিলো ওইটাকে উনারা ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু পাহাড় থেকে নামার সময় কোন অস্ত্র ছিলো না। আমি হাত তোলা দেখে পিছনে চলে এসেছি। আমাদের আগেই গাড়ি থেকে নামতে বলেছিলো।' শামলাপুর চেকপোস্টে পরিচয় জানার পর গাড়ির সামনে ড্রাম ফেলে আটকে দেয়া হয় তাদের। সিফাত আরও বলেন, 'আমরা প্রথম যখন পৌঁছেছি আমাদের বলা হলো আপনাদের সম্বন্ধে জানান। আমরা গাড়ির গ্লাস ওঠানোর সময় উনি আসলেন। এসে উনি বললেন, দাঁড়ান আবার বলেন। তারপর উনি দৌড়ে গিয়ে ড্রামটা সামনে দিয়ে দিলেন। উনাদের গায়ে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিলো না। তারা ৪-৫ জন ছিলো।' তারপরই গাড়ি থেকে বের হতে বলে পুলিশ। সাহেদুল ইসলাম সিফাত জানান, 'পুলিশের পক্ষ থেকে চিৎকার ছিলো যে, বের হ গাড়ি থেকে। আমি যখন গাড়ি থেকে নেমে পিছনে হাঁটা শুরু করি উনিও গাড়ি থেকে নামেন। তারপর বলেন কাম ডাউন, কাম ডাউন। এরপর আমি গুলির শব্দ শুনি। তারপর আমি দেখলাম সিনহা স্যার মাটিতে পড়া। তখন আমি ভেবেছিলাম শরীরে লাগেনি, হয়তো ফাঁকা আওয়াজ করেছেন, উনি হয়তো মাটিতে শুয়ে পড়েছেন। তারপর দেখলাম উনার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে।' প্রশ্নকর্তাদের জানতে চেয়েছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার অবস্থান এবং অস্ত্র কোথায় ছিলো? এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত জানান, 'সিনহা স্যার যখন গাড়ি থেকে নামেন আমি দেখেছি উনি পিস্তলটা গাড়িতে রেখে নেমেছেন। আমি দেখেছি উনি দু'হাত তুুলে গাড়ি থেকে নেমেছেন। আমিতো পিছনে ছিলাম তাই আমি শুধুু দেখেছি উনি নিচু হয়ে ছিলেন। তাই উনার পদক্ষেপটা আমি দেখতে পাইনি।' সিফাত জানান, 'গুলি করার সময় আশেপাশে তেমন কোন লোকজন ছিলো না। দূরে হয়তো ছিলো তবে প্রথমদিকে কোন ভিড় হয়নি। প্রথমে পেছনে একটা বা দুুইটা গাড়ি ছিলো। পরে ক্রাউড হয়েছিলো।' এই সিফাত এখন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী।

আরও পড়ুন