ঢাকা ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর হোমনায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যুবকের আত্মহত্যা কুমিল্লায় মাদ্রাসা শিক্ষা কর্মচারী ফোরামের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে হিমালয় থেকে সমতল: জলবায়ু কোনো সীমান্ত মানে না দেবিদ্বারে নির্মাণাধীন স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর, থানায় লিখিত অভিযোগ মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর উদ্যোগে ১০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

আসিফ-হাসনাতকে চ্যালেঞ্জ কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসকের

অনলাইন সংস্করণ
৩১ মে ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ ১১১ বার পঠিত
আসিফ-হাসনাতকে চ্যালেঞ্জ কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসকের

উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই শীর্ষ নেতা আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া। তিনি বলেছেন, জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুটি উপজেলার জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে, যা অন্য উপজেলার তুলনায় অনেক বেশি।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে এশিয়া পোস্টকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, তিনি কোনো ব্যক্তিগত দুর্নীতির অভিযোগ করেননি, বরং উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টনে বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, দুটি উপজেলার জন্য প্রকল্পের নামে ১৫ কোটি ও ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে পাশের অন্যান্য উপজেলায় ১০ লাখ, ১৫ লাখ, ১৮ লাখ কিংবা ২৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ গেছে। এটি স্পষ্ট বৈষম্য।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, মুরাদনগর উপজেলায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা এবং দেবীদ্বার উপজেলায় প্রায় ১০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে জেলা পরিষদের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘তারা (আসিফ-হাসনাত) যদি মনে করেন আমার বক্তব্য ভুল, তাহলে বলুক তারা এই টাকা নেননি। প্রকল্পের জন্য এই বরাদ্দ তাদের উদ্যোগেই নেওয়া হয়েছে।’

মোস্তাক মিয়া বলেন, উন্নয়ন বরাদ্দের ক্ষেত্রে জেলার অন্যান্য উপজেলার সঙ্গে সমতা রক্ষা করা হয়নি। তিতাস, মনোহরগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় তুলনামূলকভাবে খুবই কম অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, অথচ দুটি উপজেলায় কোটি কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, উন্নয়ন তহবিল বণ্টনে এমন বৈষম্যের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে শনিবার (৩০ মে) বিকেলে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির দুই নেতার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ করেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া।

জেলা পরিষদের প্রশাসক অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা ৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন।

তার এমন বক্তব্যের পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে ওই বরাদ্দের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন এনসিপির দুই নেতা।

উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই শীর্ষ নেতা আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া। তিনি বলেছেন, জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুটি উপজেলার জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে, যা অন্য উপজেলার তুলনায় অনেক বেশি।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে এশিয়া পোস্টকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, তিনি কোনো ব্যক্তিগত দুর্নীতির অভিযোগ করেননি, বরং উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টনে বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, দুটি উপজেলার জন্য প্রকল্পের নামে ১৫ কোটি ও ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে পাশের অন্যান্য উপজেলায় ১০ লাখ, ১৫ লাখ, ১৮ লাখ কিংবা ২৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ গেছে। এটি স্পষ্ট বৈষম্য।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের দাবি, মুরাদনগর উপজেলায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা এবং দেবীদ্বার উপজেলায় প্রায় ১০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে জেলা পরিষদের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘তারা (আসিফ-হাসনাত) যদি মনে করেন আমার বক্তব্য ভুল, তাহলে বলুক তারা এই টাকা নেননি। প্রকল্পের জন্য এই বরাদ্দ তাদের উদ্যোগেই নেওয়া হয়েছে।’

মোস্তাক মিয়া বলেন, উন্নয়ন বরাদ্দের ক্ষেত্রে জেলার অন্যান্য উপজেলার সঙ্গে সমতা রক্ষা করা হয়নি। তিতাস, মনোহরগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় তুলনামূলকভাবে খুবই কম অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, অথচ দুটি উপজেলায় কোটি কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, উন্নয়ন তহবিল বণ্টনে এমন বৈষম্যের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে শনিবার (৩০ মে) বিকেলে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির দুই নেতার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ করেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া।

জেলা পরিষদের প্রশাসক অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা ৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন।

তার এমন বক্তব্যের পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে ওই বরাদ্দের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন এনসিপির দুই নেতা।

আরও পড়ুন