ঢাকা ১ আগস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড উপেক্ষা করে সড়ক বিভাগের জমি দখল কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক, সম্পাদক জিতু অগাস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: মাহ্দী আমিন পুকুরের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ, বৃদ্ধ বাবা-মা সহ আহত ৫ মনোহরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচে কেগনা সততা ক্লাবের জয় রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবো: নারীকে কু’প্র’স্তা’ব বিএনপি নেতার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা ইউপি সদস্যের নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ শরীফ আহমেদকে দেখতে চান এলাকাবাসী বিতর্ক না মিটতেই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে ৬ শিক্ষকের নতুন পদায়ন কুমিল্লায় ‘টেটাযুদ্ধে’ নারী নিহত, আহত ৪০

মুরাদনগরে ৯ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৭ জন

অনলাইন সংস্করণ
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ ৬০ বার পঠিত
মুরাদনগরে ৯ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৭ জন
মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হবে। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফলের চিত্র: কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। এ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট। প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৭ জনই প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। জামানত হারানো প্রার্থীরা: জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আহমদ আবদুল কাইয়ুম - ৩,৩৮০ ভোট। আমজনতার দল-এর প্রজাপতি প্রতীকের চৌধুরী রকিবুল হক - ২৪৮ ভোট। গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ট্রাক প্রতীকের মনিরুজ্জামান - ২১৭ ভোট। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-এর হাতি প্রতীকের মো. এমদাদুল হক - ৫৩৮ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর ডাব প্রতীকের মো. খোরশেদ আলম - ৬৮৮ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার - ১৮০ ভোট। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সিংহ প্রতীকের রিয়াজ মো. শরীফ - ১৫০ ভোট। নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর বাইরে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এ আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

আরও পড়ুন