ঢাকা • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে দেবিদ্বারে জমি বিরোধে চাচা-চাচিকে পেটালেন নৌবাহিনী কর্মকর্তা, ভেঙেছে ৩ আঙুল ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা; নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার আসামির বাড়ি থেকে বের হওয়ার চারদিন পর ধান খেতে মিললো কিশোরীর লাশ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয়

গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন

অনলাইন সংস্করণ
২৩ আগস্ট ২০২০, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ • ৯৪ বার পঠিত
গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের চকরিয়ায় মা-মেয়েকে ‘গরু চোর’ আখ্যা দিয়ে নির্মমভাবে পিটানো হয়েছে। পরে কোমরে রশি বেঁধে তাদেরকে প্রকাশ্য হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে। সেখানে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম নিজে আবার তাদের মারধর করেন। একপর্যায়ে তাদের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে পুলিশ এসে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের পহরচাঁদা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনার ছবি প্রকাশের পর শনিবার বিষয়টি জানাজানি হয়। মা ও মেয়ে চকরিয়া হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে চকরিয়া থানার হারবাং তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার স্থানীয়রা ফাঁড়িতে খবর দিলে আমরা ফোর্স পাঠাই। আমাদের ফোর্স গিয়ে গুরুতর অবস্থায় মা-মেয়েকে উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসে। আমরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তির দায়ের করা গরু চুরির মামলায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের উপর নির্যাতন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন অভিযোগ ওদের কেউ করেনি। আমাদের ফোর্স যখন ঘটনাস্থলে যায় তখন সেখানে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসাটাই প্রাধান্য দিয়েছি। আর ভুক্তভোগী কিংবা অন্য কেউ যদি অভিযোগ করে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’ তবে ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, একদফা মা-মেয়ের ওপর নির্যাতন চলার পর হারবাং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম চৌকিদার (গ্রাম পুলিশ) পাঠিয়ে তাদেরকে রশিতে বেঁধে তার কার্যালয়ে এনে আবার নির্মমভাবে নির্যাতন করেন। নির্যাতন শেষে চেয়ারম্যানের লোকেরাই তদন্তকেন্দ্রে ফোন করে পুলিশ এনে মা-মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় তুলে দেন। হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার মুঠোফোনে বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন