ঢাকা ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা, যুবক আটক অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর হোমনায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যুবকের আত্মহত্যা কুমিল্লায় মাদ্রাসা শিক্ষা কর্মচারী ফোরামের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে আগুন

অনলাইন সংস্করণ
২৮ মার্চ ২০২১, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ ৫৫ বার পঠিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে আগুন
রকিবুল হাসান, কুবি প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাহাড়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পশ্চিম পাশের পাহাড়ে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা এবারও পাহাড়ে আগুন দিয়েছে তা জানে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়টির প্রায় অর্ধেকাংশ আগুনে পুড়ে গেছে। এতে প্রায় গাছ-পালা পুড়ে যায়। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল প্রশাসনের কর্মচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করেছেন জায়গাটি। প্রত্যক্ষদর্শী এক কর্মচারী জানান, পাহাড়ে নিচে কাজ করতে গিয়ে পাহাড়ে আগুন দেখতে পেয়ে হল প্রশাসনকে জানায়। পরে আমিসহ অন্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে একাধিকবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের ১৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার পাশের একটি পাহাড়ে এবং গত ১৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পূর্ব পাশের একটি পাহাড়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে পরিচ্ছন্নতার নামে আগুন দেওয়া হয় এবং পাশাপাশি বহিরাগতদের সিগারেট ও মাদক সেবন থেকে এ আগুন লাগতে পারে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এবিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে কে বা কারা বারবার পাহাড়ে আগুন দিচ্ছে সেটা সঠিক বলতে পারব না। আমার অফিসের শ্রমিকেরা বঙ্গবন্ধু হলের ওই পাহাড়ে কাজ করতে যায় না। সেক্ষেত্রে বহিরাগতরা যেহেতু এদিক দিয়ে চলাচল করে সেসময় হয়তো সিগারেটের আগুন থেকে এমনটা ঘটতে পারে। তবে আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি নিরাপত্তা জোরদার করতে পারে সেক্ষেত্রে এমন ঘটনা কমিয়ে আনা যাবে। বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে আগুন লাগার বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে বারবার কারা আগুন দিচ্ছে সে বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ যদি আগুন দিয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন