ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের মুরাদনগর শাখার নতুন কমিটি গঠন সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে দাদী ও নাতনি নিহত কুমিল্লায় চলন্ত স্লিপার কোচে ভয়াবহ আগুন, ভাগ্যক্রমে বাঁচলেন যাত্রীরা কুমিল্লায় পেট ব্যথার চিকিৎসায় দুই দফা অস্ত্রোপচার, রোগীর মৃত্যু সরকারি চিকিৎসকের দরজায় নির্দেশনাটি কে লাগিয়েছে খোঁজা হচ্ছে মুরাদনগরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, পলাতক স্বামী কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলা: ফের গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত দাউদকান্দিতে বাঁশের ঠেকনায় টিকে আছে জরাজীর্ণ সেতু, আতঙ্কে চলাচল আজ বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতির নির্বাচন আব্দুল মোমেন-আবির- বিল্লাল নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত, আহত ২৫

সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর

অনলাইন সংস্করণ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ ৩৮ বার পঠিত
সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর

অনলাইন ডেস্ক: 

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এ আদেশ দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগগুলো অসদাচরণ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়।

বিভাগীয় নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাবে তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন।

তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন বলে বিভাগীয় আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। ইতোমধ্যে আমরা চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।

আরও পড়ুন