ঢাকা ৩০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবো: নারীকে কু’প্র’স্তা’ব বিএনপি নেতার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা ইউপি সদস্যের নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ শরীফ আহমেদকে দেখতে চান এলাকাবাসী বিতর্ক না মিটতেই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে ৬ শিক্ষকের নতুন পদায়ন কুমিল্লায় ‘টেটাযুদ্ধে’ নারী নিহত, আহত ৪০ সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মিয়ার খাদ্যনালীতে অস্ত্রোপচার হিপ প্রতিস্থাপনের পর দ্রুত সেরে উঠছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, বুধবার মিলতে পারে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র বাঙ্গরায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা ও ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাংগরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন

কুমিল্লায় গোমতীর দুই পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

অনলাইন সংস্করণ
১০ জুলাই ২০২৬, ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ ৬৪ বার পঠিত
কুমিল্লায় গোমতীর দুই পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা

কুমিল্লার প্রাণপ্রবাহ গোমতী নদীর দুই পাড়ে গিড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ঝাঁকুনিপাড়া এলাকা থেকে এ অভিযান চলে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী, গোমতী নদীর দুই পাড়ে মোট ১৪৯টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রথম দিনের অভিযানে তালিকাভুক্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে প্রায় ৬০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে এক্সাভেটরসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আক্তার এবং কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান।

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও তীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে দোকান, ঘর ও বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এসব স্থাপনার কারণে বাঁধের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এটি একদিনের অভিযান নয়। গোমতী নদীর তীর ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অভিযান চলবে।

আরও পড়ুন