বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুরাদনগরে গোল্ডেন জিপিএ—৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ রাতের আধারে মাটি কাটায় ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা মুরাদনগরে কৃষক হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ইটভাটার মাটিতে ঘটছে দুর্ঘটনা ৩ বছরেও চালু হয়নি অর্ধকোটি টাকার বায়োমেট্রিক হাজিরাযন্ত্র শ্রীকাইল সরকারি কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে রামচন্দ্রপুর অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ভুমি খেকোর হাতে বিনষ্ট প্রায় ৭শ বিঘা ফসলি জমি মুরাদনগরে ২ শিশুকে হত্যা; নারীর মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন ১ মুরাদনগরে দিনব্যাপী অভিযানে ৪টি ড্রেজার মেশিন জব্দ মুরাদনগরে বখাটের হাতে জিম্মি প্রবাসী পরিবার মুরাদনগরে স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত, যুবক গ্রেপ্তার মুরাদনগরে সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ অমান্য করায় স্বরাষ্ট্রসচিবসহ ১৩ জনকে উকিল নোটিশ মুরাদনগরে গ্রামীণ ঐতিহ্যের শীতকালীন পিঠা উৎসব কুমিল্লার বাঙ্গরায় জেলা পরিষদের সুপার মার্কেটের শুভ উদ্বোধন

বিচার না পেয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর আত্মহত্যা

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে গোদাগাড়ীর কাঁকনহাটের ঘিয়াপুকুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ স্থানীয় কাউন্সিলরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার (সেপ্টেম্বর) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশু, আকবর আলী, মেরাজুল ইসলাম। প্রত্যেকের বাড়ি ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। তবে অভিযুক্ত মূল ধর্ষক মফিজুল ইসলামকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মফিজুলের বাবার নাম আতাউর রহমান।

নিহত গৃহবধূর নাম সখিনা বেগম (৩৫)। তার বাড়ি জেলার গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। তার স্বামীর নাম কামাল হোসেন। কামাল চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে থাকেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে মফিজুল ইসলাম দুই সন্তানের মা সখিনা বেগমের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এসময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম ধর্ষক মফিজুলকে ধরে কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশুর কাছে নিয়ে যান। কিন্তু কাউন্সিলরসহ সবাই মিলে রাতেই মফিজুলকে ছেড়ে দেন। এরপর ক্ষোভে রাতেই ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

গোদাগাড়ী থানার ওসি খাইরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে তদন্তে আমরা ধর্ষণের সত্যতা পেয়েছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত ও ধর্ষণ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিলো। আলামত সংগ্রহ করে তার মরদেহ পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পুলিশকে না জানিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়ার কারণে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। সে কারণে পৌর কাউন্সিলরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আপাতত তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণ ও তার আত্মহত্যা প্ররোচনার ঘটনায় থানায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় কারাগারে পাঠানো তিনজনসহ মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হয়েছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত মফিজুলকে। তিনি পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com