বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুরাদনগরে স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত, যুবক গ্রেপ্তার মুরাদনগরে সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ অমান্য করায় স্বরাষ্ট্রসচিবসহ ১৩ জনকে উকিল নোটিশ মুরাদনগরে গ্রামীণ ঐতিহ্যের শীতকালীন পিঠা উৎসব কুমিল্লার বাঙ্গরায় জেলা পরিষদের সুপার মার্কেটের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনিমার্ণ ও মানসম্মত শিক্ষাকরনে সভা মুরাদনগরে জমির মাটি রক্ষা করতে গিয়ে কৃষক খুন প্রেমিক-প্রেমিকা একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার মৃত্যু বাঙ্গরায় গাঁজাসহ ৩ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মুরাদনগরে ডাকাত সন্দেহে দুই যুবকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন শাঁখা—সিঁদুর পরে পূজামণ্ডপে গিয়ে সোনার চেইন ছিনতাই: ৩ মুসলিম নারী আটক সোনারামপুর যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রথন প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত মুরাদনগরে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাঙ্গরাবাজার থানা যুবলীগের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরন কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের নতুন কমিটি ঘোষণা মুরাদনগরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই যুবকের মৃত্যু

পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিলো না- প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে
পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিলো না- প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত
পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিলো না- প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত

ডেস্ক রিপোর্টঃ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা যখন গুলিবিদ্ধ হন, সে সময় তার পাশেই ছিলেন তার তথ্যচিত্রের কাজের সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত। পরে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে গিয়ে সিফাতকে হাতকড়া পরিয়েই রাখা হয় কয়েক ঘন্টা। করা হয় জিজ্ঞাসাবাদ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিওতেই বোঝা যায় কী ঘটেছিলো সেদিন।

তথ্যচিত্রের জন্য ছবি ধারণ করতে বিকালে পাহাড়ে ওঠেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা, সঙ্গী ছিলেন সিফাত। আটক হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদেও বলেছিলেন, পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোন আগ্নেয়াস্ত্র ছিলো না।

সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত বলেন, ‘না কোন অস্ত্র ছিলো না। আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিলো ওইটাকে উনারা ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু পাহাড় থেকে নামার সময় কোন অস্ত্র ছিলো না। আমি হাত তোলা দেখে পিছনে চলে এসেছি। আমাদের আগেই গাড়ি থেকে নামতে বলেছিলো।’

শামলাপুর চেকপোস্টে পরিচয় জানার পর গাড়ির সামনে ড্রাম ফেলে আটকে দেয়া হয় তাদের। সিফাত আরও বলেন, ‘আমরা প্রথম যখন পৌঁছেছি আমাদের বলা হলো আপনাদের সম্বন্ধে জানান। আমরা গাড়ির গ্লাস ওঠানোর সময় উনি আসলেন। এসে উনি বললেন, দাঁড়ান আবার বলেন। তারপর উনি দৌড়ে গিয়ে ড্রামটা সামনে দিয়ে দিলেন। উনাদের গায়ে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিলো না। তারা ৪-৫ জন ছিলো।’

তারপরই গাড়ি থেকে বের হতে বলে পুলিশ। সাহেদুল ইসলাম সিফাত জানান, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে চিৎকার ছিলো যে, বের হ গাড়ি থেকে। আমি যখন গাড়ি থেকে নেমে পিছনে হাঁটা শুরু করি উনিও গাড়ি থেকে নামেন। তারপর বলেন কাম ডাউন, কাম ডাউন। এরপর আমি গুলির শব্দ শুনি। তারপর আমি দেখলাম সিনহা স্যার মাটিতে পড়া। তখন আমি ভেবেছিলাম শরীরে লাগেনি, হয়তো ফাঁকা আওয়াজ করেছেন, উনি হয়তো মাটিতে শুয়ে পড়েছেন। তারপর দেখলাম উনার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে।’

প্রশ্নকর্তাদের জানতে চেয়েছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার অবস্থান এবং অস্ত্র কোথায় ছিলো? এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত জানান, ‘সিনহা স্যার যখন গাড়ি থেকে নামেন আমি দেখেছি উনি পিস্তলটা গাড়িতে রেখে নেমেছেন। আমি দেখেছি উনি দু’হাত তুুলে গাড়ি থেকে নেমেছেন। আমিতো পিছনে ছিলাম তাই আমি শুধুু দেখেছি উনি নিচু হয়ে ছিলেন। তাই উনার পদক্ষেপটা আমি দেখতে পাইনি।’

সিফাত জানান, ‘গুলি করার সময় আশেপাশে তেমন কোন লোকজন ছিলো না। দূরে হয়তো ছিলো তবে প্রথমদিকে কোন ভিড় হয়নি। প্রথমে পেছনে একটা বা দুুইটা গাড়ি ছিলো। পরে ক্রাউড হয়েছিলো।’

এই সিফাত এখন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com