বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুরাদনগরে গোল্ডেন জিপিএ—৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ রাতের আধারে মাটি কাটায় ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা মুরাদনগরে কৃষক হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ইটভাটার মাটিতে ঘটছে দুর্ঘটনা ৩ বছরেও চালু হয়নি অর্ধকোটি টাকার বায়োমেট্রিক হাজিরাযন্ত্র শ্রীকাইল সরকারি কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে রামচন্দ্রপুর অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ভুমি খেকোর হাতে বিনষ্ট প্রায় ৭শ বিঘা ফসলি জমি মুরাদনগরে ২ শিশুকে হত্যা; নারীর মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন ১ মুরাদনগরে দিনব্যাপী অভিযানে ৪টি ড্রেজার মেশিন জব্দ মুরাদনগরে বখাটের হাতে জিম্মি প্রবাসী পরিবার মুরাদনগরে স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত, যুবক গ্রেপ্তার মুরাদনগরে সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ অমান্য করায় স্বরাষ্ট্রসচিবসহ ১৩ জনকে উকিল নোটিশ মুরাদনগরে গ্রামীণ ঐতিহ্যের শীতকালীন পিঠা উৎসব কুমিল্লার বাঙ্গরায় জেলা পরিষদের সুপার মার্কেটের শুভ উদ্বোধন

গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৪১৫ বার পড়া হয়েছে
গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন
গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মা-মেয়েকে ‘গরু চোর’ আখ্যা দিয়ে নির্মমভাবে পিটানো হয়েছে। পরে কোমরে রশি বেঁধে তাদেরকে প্রকাশ্য হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে। সেখানে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম নিজে আবার তাদের মারধর করেন। একপর্যায়ে তাদের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে পুলিশ এসে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে।

চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের পহরচাঁদা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনার ছবি প্রকাশের পর শনিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।
মা ও মেয়ে চকরিয়া হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার হারবাং তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার স্থানীয়রা ফাঁড়িতে খবর দিলে আমরা ফোর্স পাঠাই। আমাদের ফোর্স গিয়ে গুরুতর অবস্থায় মা-মেয়েকে উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসে। আমরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তির দায়ের করা গরু চুরির মামলায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের উপর নির্যাতন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন অভিযোগ ওদের কেউ করেনি। আমাদের ফোর্স যখন ঘটনাস্থলে যায় তখন সেখানে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসাটাই প্রাধান্য দিয়েছি। আর ভুক্তভোগী কিংবা অন্য কেউ যদি অভিযোগ করে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

তবে ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, একদফা মা-মেয়ের ওপর নির্যাতন চলার পর হারবাং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম চৌকিদার (গ্রাম পুলিশ) পাঠিয়ে তাদেরকে রশিতে বেঁধে তার কার্যালয়ে এনে আবার নির্মমভাবে নির্যাতন করেন। নির্যাতন শেষে চেয়ারম্যানের লোকেরাই তদন্তকেন্দ্রে ফোন করে পুলিশ এনে মা-মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় তুলে দেন।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার মুঠোফোনে বন্ধ পাওয়া যায়।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com