বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে কুমিল্লায় সম্মাননা পেলেন ৭ সংবাদকর্মী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৭জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল কুমিল্লায় তীব্র গরমে একই বিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ মুরাদনগরে নাগরিক ঐক্য পরিষদের প্রার্থী ঘোষনা মধ্যরাতে অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত ১৫ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মুরাদনগরে বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে সড়কের সংস্কার কাজে অনিয়ম বিলুপ্তির পথে কুমিল্লার তাঁতে তৈরি আসল খাদি দেবীদ্বার ইফতার দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় সিগারেট বাকি না দেওয়ায় দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা ইউপি সদস্যের উপর হামলার জের, ব্যবসায়ীর বাড়ীতে ভাংচুর ও লুটপাট মুরাদনগরে বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ থাকবেনা কনকর্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি সভাপতি রেজাউল, সম্পাদক আলমগীর কুমিল্লায় রাতের আধারে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফিতার সামগ্রী বিতরন দক্ষিণ মুরাদনগর কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত

আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৭২১ বার পড়া হয়েছে
আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন
আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন, যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ঘতে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি।
সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে। সজীব ওয়াজেদ জয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এই দিনে (২৭ জুলাই) জন্মগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাঁর নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয় তার নানা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার রোল মডেল। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রতিককালে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে অর্জিত হয়েছে অসামান্য সাফল্য, বেড়েছে সক্ষমতা। করোনার এ সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা তারই প্রমাণ। দেশের লাখ লাখ তরুণ এখন ঘরে বসে আয় করছে। প্রতিযোগিতা করছে গোটা বিশ্বের সঙ্গে। এসব তরুণের মধ্যে স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। মেধাবী এই তারুণ্যের হাত ধরেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির সোনালি সোপানে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি মেয়ে আছে।

লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া হয় তাঁকে, যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে আসেন তিনি।

বর্তমানে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।

বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি।
দেশের আইসিটি খাত-সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাগত যোগ্যতা আর পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা এ দুয়ের মিশেলেই দেশের আইসিটি খাতের এমন ত্বরিত উন্নতিতে সফল নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের খুব কাছ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন জুনাইদ আহমেদ পলক। তরুণ এই রাজনৈতিক কর্মীর চোখে সজীব ওয়াজেদ জয় একজন ‘ভিশনারি লিডার’।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তিনি পাঁচ থেকে ১০ বছর আগেই ভবিষ্যৎ দেখতে পারেন আর সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করেন। তাঁর পরামর্শেই ২০০৯ সালে আইসিটি পলিসি করা হয়। তখনই কিন্তু এ পলিসি বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কী কী করতে হবে, সেগুলো বলে দেন। তিনি বলেন, অ্যাকশন প্ল্যান, টাইম ফ্রেম, মিশন-ভিশন, রোডম্যাপ এগুলো আমাদের স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেন। সে অনুযায়ী কাজ করেই কিন্তু মাত্র ১৩ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব হয়েছে। পরিবর্তিত পৃথিবীর সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নিতে হবে, সেটা তিনি আমাদের দেখিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা এখন শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দেশ হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com