ঢাকা ২৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবো: নারীকে কু’প্র’স্তা’ব বিএনপি নেতার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা ইউপি সদস্যের নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ শরীফ আহমেদকে দেখতে চান এলাকাবাসী বিতর্ক না মিটতেই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে ৬ শিক্ষকের নতুন পদায়ন কুমিল্লায় ‘টেটাযুদ্ধে’ নারী নিহত, আহত ৪০ সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মিয়ার খাদ্যনালীতে অস্ত্রোপচার হিপ প্রতিস্থাপনের পর দ্রুত সেরে উঠছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, বুধবার মিলতে পারে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র বাঙ্গরায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা ও ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাংগরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন

মুরাদনগরে ২ শিশুকে হত্যা; নারীর মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন ১

অনলাইন সংস্করণ
৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ১:৩৯ অপরাহ্ণ ৩৯ বার পঠিত
মুরাদনগরে ২ শিশুকে হত্যা; নারীর মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন ১
  • অনলাইন ডেস্ক:
কুমিল্লায় পরকীয়া দেখে ফেলায় জেরে দুই শিশুকে হত্যার দায়ে এক নারীকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খানম এ রায় দেন। কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার লাজৈর গ্রামের মো. বাবুল হোসেনের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (২৮)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নারী একই গ্রামের সেলিম মিয়ার স্ত্রী মাজেদা বেগম (৪৩)। দণ্ডপ্রাপ্তরা সম্পর্কে চাচি শাশুড়ি এবং ভাতিজা বউ। পুলিশ কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই নারী এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। বিচারক ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে রায় শুনে এজলাসেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন দণ্ডপ্রাপ্তরা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি নুরুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল লাজৈর গ্রামের প্রবাসী মো. বাবুল হোসেনের স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। পরকীয়ার ঘটনা দেখে ফেলায় প্রথমে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে আরাফাতকে (৬) হত্যা করেন। ঠিক ওই সময় খুনের ঘটনা দেখে ফেলায় কিছুক্ষণ পর শাহ আলমের ছেলে জসিমকেও (৭) ছুরি দিয়ে জবাই করে লাশ খালে ডুবিয়ে দেয়। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে সহযোগিতা করেন অপর নারী। গত বছর র‌্যাব-১১ তাকে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার দুর্গম একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

আরও পড়ুন