ঢাকা ২৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বাঙ্গরায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা ও ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাংগরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের হিপ রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার সফল সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে ভর্তি ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, আজ হিপ রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার কুমিল্লায় বাঙ্গরা উপজেলা প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন গোমতী ইয়ুথ সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক শুভ্র চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে শিক্ষাগত অনার্স বা ডিগ্রি পাশ হতে হবে - হাইকোর্ট ঋণের কিস্তি তুলতে এসে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনজিওকর্মী আটক ফুটবল ফাইনালের পর পারিবারিক কলহ, অভিমানে প্রাণ দিলেন যুবক রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট স্পেনের জয়ে সেজদা, প্রতিবন্ধীকে মারধরের অভিযোগ

নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

অনলাইন সংস্করণ
১৭ জুলাই ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ ৭৯ বার পঠিত
নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে নাম-পরিচয়, চেহারা, জীবনযাপন—সবকিছু বদলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার নাকের নিচে থাকা একটি জন্মচিহ্ন এবং নিজের মুখে দেওয়া একটি পরিচয়ই ভেঙে দেয় চার দশকেরও বেশি সময়ের ছদ্মবেশ।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন আগে মোজাফফর নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলেন। নতুন নামে জীবন শুরু করেন, বদলে ফেলেন চেহারা, পোশাক ও চলাফেরার ধরন। পুরোনো পরিচিতজন, আত্মীয়স্বজন এবং অতীতের প্রায় সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন, যাতে কোনোভাবেই তার অবস্থান শনাক্ত করা না যায়। জীবনের শেষভাগে তিনি গোপনে দেশে ফিরে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে বসবাস শুরু করেন। নিজেকে একজন অবসরপ্রাপ্ত, সাধারণ ও রাজনীতিবিমুখ বৃদ্ধ হিসেবে পরিচিত করে তুলেছিলেন।

ডিবির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দাদের কাছে আগে থেকেই মোজাফফরের একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্যের তথ্য সংরক্ষিত ছিল। তার নাকের ঠিক নিচে একটি তিল বা আঁচিলসদৃশ কালো দাগ ছিল, যা জন্মগত হওয়ায় পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এ চিহ্নকেই শনাক্তকরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে ধরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন