ঢাকা ৩০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবো: নারীকে কু’প্র’স্তা’ব বিএনপি নেতার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা ইউপি সদস্যের নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ শরীফ আহমেদকে দেখতে চান এলাকাবাসী বিতর্ক না মিটতেই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে ৬ শিক্ষকের নতুন পদায়ন কুমিল্লায় ‘টেটাযুদ্ধে’ নারী নিহত, আহত ৪০ সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মিয়ার খাদ্যনালীতে অস্ত্রোপচার হিপ প্রতিস্থাপনের পর দ্রুত সেরে উঠছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, বুধবার মিলতে পারে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র বাঙ্গরায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা ও ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাংগরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন

কুমিল্লায় ৩শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গরুর চামড়া, ব্যবসায়ীরা হতাশ

অনলাইন সংস্করণ
২ আগস্ট ২০২০, ৬:০১ অপরাহ্ণ ৪৪ বার পঠিত
কুমিল্লায় ৩শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গরুর চামড়া, ব্যবসায়ীরা হতাশ

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

গত বছর কোরবানির ঈদে সারাদেশের মতো কুমিল্লাতেও সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে অনেক চামড়া ব্যবসায়ী সর্বস্বান্ত হয়েছিলেন। বঞ্চিত হয়েছিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এতিম শিক্ষার্থীরা। দাম না পেয়ে অনেকেই পশুর চামড়া মাটি চাপা দিয়েছিলেন। আবার অনেকেই ফেলে দিয়েছিলেন নদীতে।

তবে এবার কুমিল্লায় ঘটেছে ভিন্ন ঘটনা। এ বছর পশুর চামড়া কিনতে মৌসুমি ক্রেতারা আসেননি। তাই ক্রেতা না পেয়ে অনেকেই স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দান করে দেন কোরবানির পশুর চামড়া। বিনামূল্য পাওয়া পশুর চামড়া কিছুক্ষণ সংরক্ষণ করেন জেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। এরপর সেই চামড়া বিক্রি করে দেন গড়ে ৩শ টাকা করে।

গত (১ আগস্ট) কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের পর থেকে এমন চিত্রই দেখা গেছে পুরো কুমিল্লা জুড়ে। কুমিল্লা সদরের বাসিন্দা নুরে আলম বাবু এ বছর কোরবানির জন্য ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা মূল্যর গরু কিনেছিলেন। তার প্রতিবেশী মিন্টু মিয়াও গরু কিনেন ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে। ক্রেতা না পেয়ে গরুর চামড়া দিয়ে দিলেন স্থানীয় মাদ্রাসায়। সেখানে রাতে ছোট বড় সব চামড়াই গড়ে ৩শ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। আর এতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে নুরে আলম বাবু,ও মিন্টু মিয়া জানান, গত বছরের মতো এই বছর অন্তত তাদের পশুর চামড়া গোমতী নদীতে ফেলে দিতে হয়নি। এ বছর ক্রেতা না পেলেও স্থানীয় মাদ্রাসায় দান করছেন তারা। পরে সেখান থেকে পাইকারি ক্রেতারা চামড়া কিনে নিয়ে গেছেন।

জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালখড়পাড় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. খোরশেদ আলম জানান, পশু কোরবানির পরে ক্রেতা না আসায় অনেকেই মাদ্রাসায় চামড়া দান করেন। কালখড়পাড় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ১৫৭টি চামড়া পাওয়া যায়। পরে রাতে চামড়ার পাইকার আসলে প্রতিটি চামড়া গড়ে ৩১০ টাকা করে বিক্রি করে দেন তারা।

এদিকে, জেলার সবচেয়ে বড় চামড়ার বাজার কুমিল্লা নগরীর ঋষিপট্টিতেও একই দামে চামড়া ক্রয় করেছেন ব্যবসায়ীরা। ঋষিপট্টির চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতন ঋষি জানান, সিন্ডিকেটের কারণে গত বছর চামড়ার দরপতন হয়। ওই বছরর চামড়া কিনে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তবে এ বছর সিন্ডিকেট না থাকলেও চামড়ার বৈদেশিক চাহিদা কম রয়েছে। তাই চামড়ার দর কম।

আরও পড়ুন