ঢাকা ২৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ বাঙ্গরায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা ও ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা বাংগরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের হিপ রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার সফল সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে ভর্তি ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ, আজ হিপ রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার কুমিল্লায় বাঙ্গরা উপজেলা প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন গোমতী ইয়ুথ সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক শুভ্র চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে শিক্ষাগত অনার্স বা ডিগ্রি পাশ হতে হবে - হাইকোর্ট ঋণের কিস্তি তুলতে এসে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনজিওকর্মী আটক ফুটবল ফাইনালের পর পারিবারিক কলহ, অভিমানে প্রাণ দিলেন যুবক রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট স্পেনের জয়ে সেজদা, প্রতিবন্ধীকে মারধরের অভিযোগ

কুমিল্লায় ভাতিজীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অনলাইন সংস্করণ
৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ ৬৮ বার পঠিত
কুমিল্লায় ভাতিজীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা নগরীর উত্তর গাংচর এলাকার এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত (৩২) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ঘটনাকালে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গাংচর (মোগলটুলি) এলাকায় বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ আগস্ট কিশোরীর বাবা-মা কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর একই এলাকার বাসিন্দা কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত তাদের ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। পরে ২০২০ সালের ১ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হারুনুর রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য উপাত্ত পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

আরও পড়ুন