ঢাকা ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর হোমনায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যুবকের আত্মহত্যা কুমিল্লায় মাদ্রাসা শিক্ষা কর্মচারী ফোরামের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত

কুমিল্লায় কোরবানির চামড়া কিনে বড় লোকসানের মুখে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

অনলাইন সংস্করণ
২৯ মে ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ ২৪৫ বার পঠিত
কুমিল্লায় কোরবানির চামড়া কিনে বড় লোকসানের মুখে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া কিনে চরম বিপাকে পড়েছেন শত শত মৌসুমি ও প্রান্তিক ব্যবসায়ী। সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি করা তো দূরের কথা, বাজারে কোনো বড় পাইকার বা ট্যানারি মালিকের দেখা না মেলায় মাঠপর্যায়ের এই ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র হতাশা দেখা দিয়েছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন বাজার ও সড়কের পাশে স্তূপ আকারে পড়ে আছে শত শত গরুর চামড়া। দীর্ঘ সময় ধরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকায় এবং তীব্র রোদ ও গরমের কারণে বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক জায়গায় চামড়ায় সময়মতো লবণ না দেওয়ায় ইতিমধ্যে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নাঙ্গলকোট উপজেলার গোমকোট বাজারের মৌসুমি ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন জানান, তিনি লাভের আশায় গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতি পিস গরুর চামড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দরে সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু বাজারে এনে কোনো বড় ক্রেতা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই শিল্পটি এখন ধ্বংসের মুখে এবং লোকসানের কারণে ভবিষ্যতে আর কখনো এই ব্যবসা করবেন না। একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী বাবলু ৮২টি চামড়া সংগ্রহ করে বাজারে এনে এখন দিশেহারা।

তিনি জানান, গাড়িভাড়া দিয়ে চামড়া বাজারে আনার পরও কোনো কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না, উল্টো চামড়াগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।


এদিকে লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের বাস্তব প্রয়োগ না থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, টেলিভিশনে দাম নির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো ক্রেতাই তা মানছেন না, যার ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে বিপদে পড়েছেন।

আরেক ব্যবসায়ী আবুল কালাম উল্লেখ করেন, দ্রুত লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা না গেলে চামড়াগুলো পচে যাবে, কিন্তু সেই বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য অনেকেরই নেই। আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন বাজারে কয়েক শ ব্যবসায়ী চামড়া নিয়ে ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কোনো পাইকার না আসায় চরম হতাশ হয়ে অনেকে চামড়া সড়কেই ফেলে চলে গেছেন বলেও জানা গেছে।

আরও পড়ুন