বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
কুমিল্লায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তার ঘোষণা ১১ বছর পর ব্যবসায়ী ফারুক হত্যা মামলার রায় ডাকাতির ঘটনায় মোবাইল হারানোর জিডি নিলো পুলিশ কুমিল্লায় মায়ের কোপে মেয়ে খুন! মুরাদনগরে ভূমি সেবা সপ্তাহের সমাপনী; শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সম্মাননা প্রদান ঢাকাস্থ মুরাদনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি আমিন ও সাধারণ সম্পাদক হাবিব শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় নার্গিস আফজালকে চিরো বিদায় ধর্ষণ মামলায় কুমিল্লা থেকে প্রিন্স মামুন গ্রেফতার ব্যবসায়ীকে তিন দিনের মধ্যে মেরে ফেলার হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় অভিযোগ অনিয়মের সংবাদ প্রকাশে সুফল পাচ্ছে এলাকাবাস কুমিল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি-ককটেল বিস্ফোরণ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে কুমিল্লায় সম্মাননা পেলেন ৭ সংবাদকর্মী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৭জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল কুমিল্লায় তীব্র গরমে একই বিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ মুরাদনগরে নাগরিক ঐক্য পরিষদের প্রার্থী ঘোষনা

রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ৫ মাস পর ধরা পরলো আল্ট্রায়

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৫০৩ বার পড়া হয়েছে
রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ৫ মাস পর ধরা পরলো আল্ট্রায়

স্টাফ রিপোর্টঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অপারেশনের ৫ মাস পর শারমিন নামের এক রোগির পেটে পাওয়া গেল গজ কাপড়। যেখানে ইনফেকশন হয়ে গেছে। সিজার অপারেশনের সময় চিকিৎসকের ভুলে রেখে দেওয়া এই গজ কাপড় এই রোগিকে ভুগিয়েছে ৫ মাস ধরে।

রোগির ভাই মোঃ রুহুল আমিন জানান, প্রায় ৫ মাস আগে দেবিদ্বার আল-ইসলাম হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে আমার বোন শারমিনের সিজার হয় । সার্জন ছিল ডাঃ রোজিনা আক্তার। সিজারের দিন থেকেই পেটে ব্যাথা শুরু হয়। ব্যাথা নিয়েই আমার বোনকে রিলিজ দেয়া হয়। বলা হয়েছিল কোন সমস্যা নাই ঠিক হয়ে যাবে।

কিছুদিন পরে ডাক্তার দেখানোর পর আল্ট্রা করে জানালো কোন প্রকার সমস্যা নেই। তাই কিছু ঔষধ দিয়ে দিল। ব্যাথা দিনদিন বেড়েই চলেছে। আবার দেখানো হলো। আবার আল্ট্রা করে সব দেখেশুনে বললো কোন সমস্যা নেই। কিছু ব্যাথার এবং গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ দিয়ে বললো ব্যথা সেরে যাবে। এবার আর তাদের উপর ভরসা না করে ঢাকায় নিয়ে আসা হলো। দিনে দিনে ব্যাথা তীব্র হচ্ছে। আল্ট্রা করা হচ্ছে, বিভিন্ন রকম টেস্ট করা হচ্ছে। একেকবার একেকরকম কথা বলা হচ্ছে। পেটে পানি জমেছে, গ্যাস জমেছে, এই সেই নানান কিছু বলে ১৪ দিনের ঔষধ, ২১ দিনের ঔষধ খেয়ে আবার আসবেন এইসব চলতেছিল। এর মধ্যে তীব্র ব্যাথার কারনে হাসপাতালে ভর্তিও ছিল বেশ কয়েকদিন।

ব্যাথাও কমছেনা, ডাক্তাররাও সমস্যা ডায়াগনোসিস করতে পারতেছেনা, এত এত টেস্ট করার পরেও এক প্রকার আন্দাজে চিকিৎসা চলতেছিল। সর্বশেষ অন্য একটি হাসপাতালে একজন ডাক্তার দেখানোর পর আল্ট্রায় যা দেখা গেল তাতে কপালের চক্ষু মাথায় উঠার কথা। গত কয়মাসে অন্তত ১৫-২০ বার আল্ট্রা করা হয়েছে। কোনবারই আল্ট্রায় কেউ যা দেখে নাই আজকে ডাক্তার থমকে গেলো তা দেখে। পেটের ভিতরে সিজারের সময়ের গজ রয়ে গেছে আর সেখানে ইনফেকশন হয়েছে। প্রায় ৫ টা মাস পেটে গজ নিয়ে আমার বোন অসহ্য ব্যাথায় কাতরাচ্ছিল।

এতবার ডাক্তার দেখানো হলো, এতবার আল্ট্রা করানো হলো! উন্নত যন্ত্রে আধুনিক আল্ট্রায় ও কেউ সেটা বুঝতে পারলোনা কেন?

আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার এই সময়ে এসেও ৫ মাস ধরে পেটে গজ নিয়ে ডাক্তারদের ধারেধারে ঘুরেও যদি তা ডায়াগনোসিস করতে না পারে সে দুঃখ কারে বলি? এই বেদনা কারে বলি?

হয়তো আমার বোনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। আমি চাই না পৃথিবীর আর কোন বোন আমার বোনের মতো এতো বড় ক্ষতির সম্মুখীন হোক। আমি চাই এই জ্ঞানহীন ডাক্তারদের চিকিৎসা বিভাগ থেকে বহির্ভূত করা হোক। যেন আর কারো ক্ষতি করতে না পারে।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com