1. admin@comillatimes.com : Comilla Times : Comilla Times
  2. fm.polash@gmail.com : Foyshal Movien Polash : Foyshal Movien Polash
  3. lalashimul@gmail.com : Sazzad Hossain Shimul : Sazzad Hossain Shimul
রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ৫ মাস পর ধরা পরলো আল্ট্রায় | Comilla Times
ব্রেকিং নিউজ
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ আন্তর্জাতিক কমান্ড কাউন্সিলের কমিটি গঠন মুরাদনগরে চালকের গলা কেটে অটো ছিনতাইয়ের চেষ্টা: আটক ১ কোষাধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত সচিবকে নিয়োগ দেওয়ায় কুবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা মুরাদনগরে ১০ম বিজেএস জাজেস ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ মুরাদনগরে লকডাউনে কর্মহীন শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুরাদনগরে ২১ হাজার অসহায় মানুষ পেলো প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার মুরাদনগরে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ইউপি চেয়ারম্যানের ঈদ উপহার বিতরণ বাঙ্গরায় পথচারীদের মাঝে যুবলীগের ইফতার বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করলেন কুবি শিক্ষক মুরাদনগরে এতিম শিশুদের নিয়ে ঈমান্দী হাজী ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল মুরাদনগরে এমপির নিজস্ব অর্থায়নে ইমামদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুনিয়া হত্যা: মানববন্ধনে আসামি আনভীরের শাস্তি দাবি জানায় এমপি বাহার কুমিল্লায় সংরাইশ শিশু পরিবারের ১ শত শিশু পেলেন নিজের পছন্দের ঈদ পোষাক রাজধানীতে কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে “নিরাময় ফাউন্ডেশন” এর ইফতার বিতরণ মুরাদনগরে এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছাত্রলীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ৫ মাস পর ধরা পরলো আল্ট্রায়

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৭৫ বার পড়া হয়েছে
রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই, ৫ মাস পর ধরা পরলো আল্ট্রায়

স্টাফ রিপোর্টঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অপারেশনের ৫ মাস পর শারমিন নামের এক রোগির পেটে পাওয়া গেল গজ কাপড়। যেখানে ইনফেকশন হয়ে গেছে। সিজার অপারেশনের সময় চিকিৎসকের ভুলে রেখে দেওয়া এই গজ কাপড় এই রোগিকে ভুগিয়েছে ৫ মাস ধরে।

রোগির ভাই মোঃ রুহুল আমিন জানান, প্রায় ৫ মাস আগে দেবিদ্বার আল-ইসলাম হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে আমার বোন শারমিনের সিজার হয় । সার্জন ছিল ডাঃ রোজিনা আক্তার। সিজারের দিন থেকেই পেটে ব্যাথা শুরু হয়। ব্যাথা নিয়েই আমার বোনকে রিলিজ দেয়া হয়। বলা হয়েছিল কোন সমস্যা নাই ঠিক হয়ে যাবে।

কিছুদিন পরে ডাক্তার দেখানোর পর আল্ট্রা করে জানালো কোন প্রকার সমস্যা নেই। তাই কিছু ঔষধ দিয়ে দিল। ব্যাথা দিনদিন বেড়েই চলেছে। আবার দেখানো হলো। আবার আল্ট্রা করে সব দেখেশুনে বললো কোন সমস্যা নেই। কিছু ব্যাথার এবং গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ দিয়ে বললো ব্যথা সেরে যাবে। এবার আর তাদের উপর ভরসা না করে ঢাকায় নিয়ে আসা হলো। দিনে দিনে ব্যাথা তীব্র হচ্ছে। আল্ট্রা করা হচ্ছে, বিভিন্ন রকম টেস্ট করা হচ্ছে। একেকবার একেকরকম কথা বলা হচ্ছে। পেটে পানি জমেছে, গ্যাস জমেছে, এই সেই নানান কিছু বলে ১৪ দিনের ঔষধ, ২১ দিনের ঔষধ খেয়ে আবার আসবেন এইসব চলতেছিল। এর মধ্যে তীব্র ব্যাথার কারনে হাসপাতালে ভর্তিও ছিল বেশ কয়েকদিন।

ব্যাথাও কমছেনা, ডাক্তাররাও সমস্যা ডায়াগনোসিস করতে পারতেছেনা, এত এত টেস্ট করার পরেও এক প্রকার আন্দাজে চিকিৎসা চলতেছিল। সর্বশেষ অন্য একটি হাসপাতালে একজন ডাক্তার দেখানোর পর আল্ট্রায় যা দেখা গেল তাতে কপালের চক্ষু মাথায় উঠার কথা। গত কয়মাসে অন্তত ১৫-২০ বার আল্ট্রা করা হয়েছে। কোনবারই আল্ট্রায় কেউ যা দেখে নাই আজকে ডাক্তার থমকে গেলো তা দেখে। পেটের ভিতরে সিজারের সময়ের গজ রয়ে গেছে আর সেখানে ইনফেকশন হয়েছে। প্রায় ৫ টা মাস পেটে গজ নিয়ে আমার বোন অসহ্য ব্যাথায় কাতরাচ্ছিল।

এতবার ডাক্তার দেখানো হলো, এতবার আল্ট্রা করানো হলো! উন্নত যন্ত্রে আধুনিক আল্ট্রায় ও কেউ সেটা বুঝতে পারলোনা কেন?

আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার এই সময়ে এসেও ৫ মাস ধরে পেটে গজ নিয়ে ডাক্তারদের ধারেধারে ঘুরেও যদি তা ডায়াগনোসিস করতে না পারে সে দুঃখ কারে বলি? এই বেদনা কারে বলি?

হয়তো আমার বোনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। আমি চাই না পৃথিবীর আর কোন বোন আমার বোনের মতো এতো বড় ক্ষতির সম্মুখীন হোক। আমি চাই এই জ্ঞানহীন ডাক্তারদের চিকিৎসা বিভাগ থেকে বহির্ভূত করা হোক। যেন আর কারো ক্ষতি করতে না পারে।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় Team Comilla Times

x
error: CONTENT IS PROTECETED !!