1. admin@comillatimes.com : Comilla Times : Comilla Times
  2. fm.polash@gmail.com : Foyshal Movien Polash : Foyshal Movien Polash
  3. lalashimul@gmail.com : Sazzad Hossain Shimul : Sazzad Hossain Shimul
মেয়েদের বাড়ি কোথায়?? | Comilla Times
ব্রেকিং নিউজ
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
কুবির প্রতিবর্তন এর নেতৃত্বে নান্টু – রায়হান মুরাদনগরে খুৎবার আযান নিয়ে সংঘর্ষ: নিহত ১ ভ্যাক্সিন নিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার কুবি শিক্ষার্থী ১০টি দৈনিক পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল কুবিতে বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের  প্রশিক্ষণ  কর্মশালা চলে গেলেন কুবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য নবীনগরে খাস জায়গা দখল করে ভবণ নির্মাণ মুরাদনগরে বিকাশ এজেন্টের ১২ লাখ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই বাঘাইছড়িতে বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ আটক শিক্ষাব্যবস্থায় করোনার প্রভাব মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি-ঘর ভাংচুরের তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা, ক্যামেরা ছিনতাইয়ের চেষ্টা কুবিতে ফিউচার লিডার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান কুবিতে শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশের আলোচনা সভা কুবিতে সশরীরে পরীক্ষা শুরু ৯ সেপ্টেম্বর কুবিতে ইনজিনিয়াস প্লাটফর্মের আইনি গবেষণা বিষয়ক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

মেয়েদের বাড়ি কোথায়??

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে
সুকৃতি ভট্টাচার্য্য
সুকৃতি ভট্টাচার্য্য

সুকৃতি ভট্টাচার্য্য

বাবার বাড়ি ছেড়ে ২০ বছর বয়সে বউ হয়ে এসেছি,
বিয়ের পরের দিন শ্বাশুড়ি যখন বাসী পরোটা গরম করে খেতে বললো তখন খুব দুঃখ হলো।
বাসী পরোটা কেন? আমি বাসী পরোটা খায় না,মুখের উপর বলতে পারলাম না।

কয়েক দিন যেতেই অভ্যাস হয়ে গেল,
দুপুরে রান্নার চাউল শ্বাশুড়ি মেপে দিতো,

সবাই খাওয়ার পরে অনেক সময় ভাত থাকতো না আবার রান্না করে খেতে হবে তাই চুপ করে থাকতাম, পানি খেয়ে দুপুর কাটিয়ে দিতাম।
খাওয়ার সময় কাঁটার সাথে যে মাছটা তাই আমার জন্য থাকতো। তাতেও কোন সমস্যা নাই,২০ বছর বাবার বাড়ি অনেক মাছ খেয়েছি।
দিন গড়িয়ে যেতে লাগলো

একদিন কোল জুড়ে এলো বাচ্চা তার মুখ দেখে সব ভুলে গেলাম,
আর একটু বড় হতেই আমার আঁচল ধরে হাঁটা, আধো আধো বুলিতে কথা বলা,ভাত চটকে মেখে খাওয়ানো,যখন নিজে খেতে শিখলো তখনও মেখে দিতে হতো,বড় মাছের টুকরো টা বর, ছেলের জন্য রেখে দিতাম ওদের তৃপ্তি করে খাওয়াতে পারলে খুব শান্তি পেতাম,সব চাওয়া পাওয়া যেন তাদের ঘিরে।

আস্তে আস্তে ছেলে বড় হলো বিয়ে দিলাম বউ রান্না করবে, ছেলে আমার সাথে আগের মতো গল্প করবে,আঁচল ধরে টানবে কথা বলার জন্য কতোনা হাসি খুশিতে সংসার চলবে।
কিছু দিন যেতেই বুঝলাম সব বিপরীত।

ছেলে আমার কাছে আসে না গল্প করে না আমাকে দেওয়ার মতো তার কোন সময় নেই।
আস্তে আস্তে সব হারালাম চাবি,অধিকার, বাড়ির দলিল কিছুই আমার রইল না।

সত্যি কথা বলতে কি মেয়েদের কোন বাড়িই নেই!!
আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে আছে বৃদ্ধাশ্রম??


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com
x
error: CONTENT IS PROTECETED !!