1. admin@comillatimes.com : Comilla Times : Comilla Times
  2. fm.polash@gmail.com : Foyshal Movien Polash : Foyshal Movien Polash
  3. lalashimul@gmail.com : Sazzad Hossain Shimul : Sazzad Hossain Shimul
মুরাদনগরে ধর্ষণের অভিযোগে প্রবাসী গ্রেপ্তার, বেলা শেষে অর্থের বিনিময়ে রফাদফা | Comilla Times
ব্রেকিং নিউজ
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
বাঙ্গরায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা ইকবালকে সাথে নিয়ে পূজা মণ্ডপের সেই গদাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ! মুরাদনগরে পুলিশের জালে সেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ দুই পতিতা ভর্তি-ইচ্ছুকদের সহায়তায় তৎপর কুবি আঞ্চলিক সংগঠনগুলো কুবিতে গুচ্ছ পদ্ধতির ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু দেবীদ্বারে যুবলীগের আয়োজনে শান্তি-সম্প্রীতি র‌্যালী ও আলোচনা সভায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষ; আহত-১০ পূজামণ্ডপের ঘটনায় ৭ দিনের রিমান্ডে ইকবাল নবীনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী’র পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে কুবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কুমিল্লার ঘটনায় কক্সবাজার থেকে ইকবাল আটক কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ট্রাভেলার্স সোসাইটির যাত্রা শুরু বাঙ্গরায় হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার কুমিল্লায় কোরআন অবমাননার ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার “কুমিল্লা টাইমস টিভি” দেশের অন্যতম সংবাদ মাধ্যম চিত্রাংকনে জেলায় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেছে মুরাদনগরের শাফি

মুরাদনগরে ধর্ষণের অভিযোগে প্রবাসী গ্রেপ্তার, বেলা শেষে অর্থের বিনিময়ে রফাদফা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২১
  • ১২৭৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ফুফাতো বোনকে ধর্ষনের অভিযোগে সদ্য বিবাহিত মামাতো ভাইকে গ্রেপ্তারের ৫ ঘন্টা পর থানায় বসে রফাদফার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ওসি সাদেকুর রহমানের অনুমোতি ক্রমে সালিশে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা রায় করেন অভিযুক্ত মামাতো ভাই শাহিনের উপর। সেই টাকা থেকে অভিযোগকারী মামাতো বোনকে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে থানার খরচ বাবদ বাকী ৬০ হাজার টাকা রেখে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শাহিন (২৫) বাহরাইন প্রবাসি, সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইউসুফ নগর গ্রামের নূরু মিয়ার ছেলে। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যার আলোচনা ও সমালোচনা এখন উপজেলা সদরের প্রতিটি চা-স্টলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শাহিন প্রবাসে থাকাকালে দুই পরিবারের সম্মতিতে মামাতো বোনের সাথে বিবাহ ঠিক করেন। এ বছরের আগষ্ট মাসের ১৭ তারিখ শাহিন দেশে আসার পর তার মামাতো বোনকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করেন। এক পর্যায়ে তাদের দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে শাহিন পরিবারের পরামর্শে অন্যত্র বিয়ে করার কথা শুনে তার ফুফাতো বোন শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার বিষয়টি আত্মীয়-স্বজনদের অবহিত করেন। এতেও কোন সূরাহা
না হওয়ায় গন্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হন। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শাহিন অন্যত্র বিয়ে করে। বিয়ের পরদিন অভিযোগকারী পুনরায় ঘটনাটি নিস্পত্তি চেয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তদের দ্বারস্থ হয়। এতেও কোন কাজ না হওয়ায় শনিবার সকালে মুরাদনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সে অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিন দুপুরে মুরাদনগর থানার এএসআই নুর-আজম অভিযুক্ত শাহিনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

অভিযোগে ৪ নম্বর আসামী অভিযুক্ত শাহিনের বোন শাহিনা আক্তার মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগকারী আমার ফুফাতো বোন। আমার ভাই বিয়ে করেছে মাত্র ৪ দিন হয়। তার টাকা পয়সা দেখে তাকে বিপদে ফেরার জন্য গ্রামের কিছু খারাপ লোকের কুপরামর্শে থানায় গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করে। তারই জের ধরে শনিবার দুপুরে পুলিশ আমার ভাইকে ধরে নিয়ে যায়।

বর্তমানে কি অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, রফাদফার জন্য প্রথমে থানায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়। পরবর্তীতে আরো ৩০ হাজার টাকা নেয়। আমাকে বড় স্যার বলেন, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা থেকে অভিযোগকারী আমার ফুফাতো বোনকে ৮০ হাজার টাকা দেয়া হবে, বাকী ৬০ হাজার টাকা থানার খরচ বাবদ রাখা হয়েছে।

সালিশে উপস্থিত ইউসুফনগর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ মাস্টার মুঠোফোনে বলেন, আমি উপস্থিত ছিলাম, তবে বিচার করিনি। দুপক্ষের উপস্থিতিতে থানায় বসে ৮০ হাজার টাকা টাকা ধার্য্য করে এক ঘন্টার মধ্যে মেয়েকে টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সালিশকারি এএসআই নূর-আজম বলেন, ফুফাতো বোনকে তার মামাতো ভাই বিয়ে না করে অন্য জায়গায় বিয়ে করায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ওই মেয়ে। পরে তার অভিযোগের ভিত্তিতে মামাতো ভাই শাহিন কে থানায় নিয়ে আসি। দু’পক্ষের অনুমোতি ক্রমেই ওসি স্যারের নির্দেশে সালিশ করেছি। আর সালিশে মেয়েকে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে ৮০ হাজার টাকা ধার্য করা হয়। সেই টাকাই ছেলের পরিবারের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে। এর বাহিরে অতিরিক্ত কোন টাকা নেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাদেকুর রহমান সালিশের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মামাতো ভাই বিয়ে না করায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন অভিযুক্তর ফুফাতো বোন। মূলত আমার অনুমোতি ক্রমেই এএসআই নূর-আজম এই সালিশটি করেছে। আমার জানামতে মেয়েটিকে বিবাহ দেয়ার জন্য ওই ছেলের পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে। তবে কত টাকা আমার জানা নেই, আমি কুমিল্লায় আছি রাতে বলতে পারবো কত টাকা নেয়া হয়েছে।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com
x
error: CONTENT IS PROTECETED !!