1. admin@comillatimes.com : Comilla Times : Comilla Times
  2. fm.polash@gmail.com : Foyshal Movien Polash : Foyshal Movien Polash
  3. lalashimul@gmail.com : Sazzad Hossain Shimul : Sazzad Hossain Shimul
বরুড়ায় জমি খারিজের তিন সহস্রাধিক আবেদন ঝুলে আছে সহকারি কমিশনারের কার্যালয়ে | Comilla Times
ব্রেকিং নিউজ
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
বাঙ্গরায় হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার কুমিল্লায় কোরআন অবমাননার ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার “কুমিল্লা টাইমস টিভি” দেশের অন্যতম সংবাদ মাধ্যম চিত্রাংকনে জেলায় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেছে মুরাদনগরের শাফি মুরাদনগরে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে কুবিতে মানববন্ধন মুরাদনগরে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে সিএনজি চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রথম দিনেই মুখোরিত কুবি ক্যাম্পাস ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৯ কুবিতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা: দুশ্চিন্তার নাম ছিনতাই ছিনতাইয়ের কবলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়র শিক্ষার্থী হারিয়েছি : গুরুপ্তপূর্ন কাগজ পত্রসহ পাসপোর্ট হারিয়েছি আধুনিকতার ছোঁয়া হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প

বরুড়ায় জমি খারিজের তিন সহস্রাধিক আবেদন ঝুলে আছে সহকারি কমিশনারের কার্যালয়ে

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে
বরুড়ায় জমি খারিজের তিন সহস্রাধিক আবেদন ঝুলে আছে সহকারি কমিশনারের কার্যালয়ে

ফয়সাল মবিন পলাশ:

কুমিল্লার বরুড়ায় জমি খারিজের সহস্রাধিক আবেদন ঝুলছে সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে।

সিটিজেন চার্টারে ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে আবেদনের সুরাহা করার কথা থাকলেও বাস্তবে ৪ মাস থেকে একবছর পর্যন্ত ঘুরেও সমাধান পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা। বিপাকে পড়েছেন জমির মালিকরা। থমকে আছে সরকারের রাজস্ব আয়।

সরজমিনে ঘুরে ও সহকারি কমিশনারের কার্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে ক্রয়কৃত ও যৌথ মালিকানার কোন সম্পত্তি নাম খারিজ ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় হয় না। তাই পুর্বের তুলনায় নাম খারিজের আবেদনের সংখ্যা বেশী। এছাড়া নামের ভুল, পরিমানের গড়মিল, দাগের ভুল সংশোধন করতেও মাসের পর মাস অপেক্ষা করে সমাধান না হওয়ায় বিপাকে রয়েছেন জমির মালিকেরা। বরুড়ায় গত দু্ই বছরেরও অধিক সময় ধরে খুবই ধীর গতিতে চলছে নাম খারিজের কাজ। এতে করে ফাইল ঝটলা বেধেঁছে উপজেলা সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে। স্থানীয় ভাবে চাপে রয়েছেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারি ভূমি কর্মকর্তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, আমরা ছোট চাকরি করি, অনেক বিষয়ে জানলেও বলতে পারি না। তবে সম্প্রতি আমাদের নাম খারিজের নথির কাজ চলছে খুবই ধীর গতিতে। বর্তমান সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাহিদা ‍সুলতানা বরুড়ায় যোগদানের পর থেকেই জমি খারিজের এই ধীরগতি।

ভুক্তভোগীরা জানায়, নাম খারিজের কাজ বন্ধ থাকায় অনেক সমস্যা হচ্ছে। ঋণ পরিশোধ, জরূরী চিকিৎসা, বিদেশ যাওয়া ও ব্যবসা-বাণিজ্য আটকে যাচ্ছে। টাকার অভাবে অনেক কৃষকের চলমান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সুদের গেরাকলে ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বরুড়ার আড্ডা ইউনিয়নের এক প্রবাসী বলেন, ২০২০ সালের মার্চ মাসে ভিটে বাড়ি খতিয়ান থেকে নাম খারিজের আবেদন করেছিলেন। দুইবার ছুটিতে এসে ঘুরে ঘুরে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাহিদা ‍সুলতানার সাথে দেখা করেও ওই আবেদনের কোন ফয়সালা পাননি তিনি। গত কোরবাণীর ঈদের আগে নাম খারিজের আবেদন করে আদৌ কোন সমাধান পাননি আমির হোসেন নামের আরেক জমির মালিক। আবেদনের ৫ মাস পর খারিজ না পেয়ে হতাশ হয়ে বিদেশ চলেগেছেন আরেক প্রবাসি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন। টুটুল চৌধুরী নামের এক খারিজ গ্রহিতা বলেন, আবেদন করেছি দুই মাসেরও বেশি সময় হয়েছে, এখনও আনেদন গ্রহনের মেসেজ পাইনি। উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের আবুল কাসেম তার নামের ভুল ঠিক করেতে আবেদন করে গত দেই বছরেও সমাধান পায়নি বলে অভিযোগ করে বলেন, টাকা ছাড়া একটা কাজও করেনা উপজেলা ভূমি অফিস। আব্দুল ওয়াদুদ নামের একজন বলেন, আমি টাকা দিয়েও খারিজ পচ্ছিনা। আনোয়ার হোসেন নামের একজন বলেন, অভিযোগ করলে আরও হয়রানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই কিছু বলবোনা। এমন আরও অসংখ্য অভিযোগ করেন, মো: জহিরুল ইসলম, সাজিম উদ্দীন, লিটন প্রধান, বরুড়া উপজেলা দলিল লেখক সমিতির দায়িত্বশীল এক সদস্য বলেন, গত ১-দেড় বছরে নাম খারিজ নিস্পত্তির পরিমাণ খুবই কম। তিন সহস্রাধিক আবেদন আটকে আছে। ঘটনাটি অতীতের অনেক রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছে। মানুষ অনেক হয়রানি ও কষ্টের মধ্যে আছে। অনেক গুরূত্বপূর্ণ কাজ করতে পারছে না। খারিজ ছাড়া দলিলও হয় না। সরকার রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।

অভিযোগ রয়েছে, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাহিদা ‍সুলতানা দপ্তরের দরজার সামনে প্রায়ই লেখা থাকে তিনি মিটিংয়ে, ভ্রাম্যমান আদালতে অথবা প্রশিক্ষণে আছেন। যে সময়টুকু তার দাপ্তরে থাকেন সে সময়ের প্রায়ই ফোনে কথা বলে সময় পার করেন।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com
x
error: CONTENT IS PROTECETED !!