1. admin@comillatimes.com : Comilla Times : Comilla Times
  2. fm.polash@gmail.com : Foyshal Movien Polash : Foyshal Movien Polash
  3. lalashimul@gmail.com : Sazzad Hossain Shimul : Sazzad Hossain Shimul
চাহিদা কম তাই পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজ | Comilla Times
ব্রেকিং নিউজ
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুরাদনগরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত মুরাদনগরে নানা আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ঝিকরগাছায় পানি নিস্কাশনের কালভার্ট বন্ধ,পানিবন্দী ৩০টি পরিবার করোনা প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচি পালন করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ মুরাদনগরে করোনায় যুবলীগ নেতার মৃত্যু, সংসদ সদস্যের শোক প্রকাশ ঈদুল আযহা উপলক্ষে জাগ্রত সিক্সটিন টিমের রিকশা ও সেলাই মেশিন বিতরণ মুনিয়ার ‌আত্মহত্যা’র মামলায় সায়েম সোবহানকে অব্যাহতি মুরাদনগরে বেদে পরিবারের মাঝে ওসি’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাঙ্গরায় ১৬ কেজি গাঁজা ও সিএনজিসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক শার্শায় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ আর নেই কুবি রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ সাধারণ সম্পাদক কুলসুম মুরাদনগরে ছাগল চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক কুবি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির জন্য রিমোট এক্সেস পোর্টাল উদ্বোধন চৌদ্দগ্রামে ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে নারীর লাশ উদ্ধার যশোরে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যসহ আটক-৭

চাহিদা কম তাই পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজ

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় বাজার খাতুনগঞ্জে চাহিদা কম থাকায় পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজ।

চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জ, এই খাতুনগঞ্জ বাজারে পেঁয়াজের আড়তগুলো থরে থরে সাজানো পেঁয়াজের বস্তা। কিন্তু চাহিদা কিছুটা কম। ক্রেতা না থাকার পাশাপাশি আমদানি সময় এসির বাতাসে পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজ। যা লোকসান দিয়ে প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা ধরে। ফলে বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন আমদানীকারকরা।

বুধবার খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি তুরষ্ক ও চায়নার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২২ টাকা, পাকিস্তান ৩৫, মিসর ৩০, মায়ানমার ৩৫ এবং দেশী পেঁয়াজ ৫০ টাকার মধ্যে। যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

বহাদ্দারহাট থেকে আসা খুচরা ব্যাবসায়ী মো. বাবুল বলেন, খাতুনগঞ্জে প্রচুর পেঁয়াজ আছে। আগে আমরা যে পেঁয়াজ কিনতাম ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। কিন্তু এখন চায়নার পেঁয়াজ কিনেছি ২২ টাকা ধরে। আর পঁচা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা বস্তায়। কিন্তু সেগুলো নিম্ম আয়ের মানুষ ও হোটেলে বিক্রি হয়।

খাতুনগঞ্জে কমিশন ভিত্তিতে পেঁয়াজ বিক্রি করা কামাল উদ্দিন এন্ড ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপক নাসির উদ্দিন জানান, গতবছর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে উঠে। তখন পেঁয়াজের দাম বেড়ে পাইকারিতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল। তখন চাহিদাও ছিল অনেক। সেই সময় বিক্রি ভাল দেখে এবছর মৌসুমী ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানী করায় বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আছে। তবে ক্রেতা একেবারে কম।

তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে তুরষ্ক থেকে আমদানি করা তার প্রতিষ্ঠানের এক কন্টেইনার পেঁয়াজ পঁচে যায়। পরবর্তীতে তিনি সে পেঁয়াজের অর্ধেক ১০ টাকা ধরে বিক্রি করে বাকি পেঁয়াজ ফেলে দেন। এর ফলে কোটি টাকার লোকসানে পড়তে হয় আমদানীকারককে।

যেসব দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানী হচ্ছে সেখানকার ব্যাবসায়ীরা নিম্মমানেন পেঁয়াজ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে আড়তদার হাজি মিন্টু সওদাগর বলেন, দেশীয় ব্যবসায়ীরা সশরীরে উপস্থিত না হওয়ায় নিম্মমানের পেঁয়াজ দিচ্ছে তারা। ফলে এসব পেঁয়াজ দেশে আসতে আসতে পঁচে যায়। তাছাড়া অন্যান্য দেশের পেঁয়াজ এদেশের আবহাওয়ায় এসে দ্রুত পঁচে যাচ্ছে।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ ব্যাবসায়ী কল্যান সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহাসান উল্লাহ জাহেদী বলেন, পেঁয়াজ এলসি করার পর থেকে বন্দরে আসতে এক থেকে দেড় মাস সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময়ের কারণে পেঁয়াজ পঁচে যাচ্ছে এটি একটি কারণ। তার বাইরে বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ আড়তগুলোতে থাকলেও সব দেশের পেঁয়াজের চাহিদা নেই। ফলে যেসব পেঁয়াজের চাহিদা কম সেগুলো পঁচে যাচ্ছে। পঁচা পেঁয়াজগুলো হয় কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, না হলে ফেলে দিচ্ছে ব্যাবসায়ীরা।

খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো ইদ্রিস জানান, লোহা ব্যাবসায়ী শুরু করে পান ব্যাবসায়ী সবাই পেঁয়াজ ব্যাবসা শুরু করেছে। যার কারণে চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজ বেশি। বিক্রি কম হওয়ায় পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজ। লেবার খরচ কমাতে পঁচা পেঁয়াজ বস্তা প্রতি ১০ টাকা ধরে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে ব্যাবসায়ীরা।

রেপার কন্টেনারে আমদানী করা পেঁয়াজ বেশি পঁচে যাচ্ছে। তাছাড়া এবার সবচেয়ে বড় সমস্যা পেঁয়াজের গাছ চলে আসা। আড়তের বেশির ভাগ পেঁয়াজের গাছ হয়ে যাচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি রনি আলী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিটি পেঁয়াজের বুকিং রেট ৪০০ থেকে ৭০০ ডলার। কিন্তু দেশে পেঁয়াজের দাম কম। ফলে লোকসান দিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।

বেশি দামে পেঁয়াজ আমদানী করার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, গতবছর লাভ হওয়ায় এবার নতুন নতুন অনেক ব্যাবসায়ী পেঁয়াজ আমদানি করেছে। যে পরিমাণ আমদানি হয়েছে, সে পরিমাণ চাহিদা নেই। ফলে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে পেঁয়াজ। আর পঁচে গেলে তো পুরো টাকাই লোকসান হয়।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ পরিচালক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল জানান, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গত এক মাসে ৩৩৬টি ছাড়পত্র ইস্যুর মাধ্যমে ৪২ হাজার ৪২৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে আমাদানি হয়েছে। আর পেঁয়াজ পচনশীল দ্রব্য হওয়ায় তা বন্দের আসার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে তা ছাড় করছে কর্তৃপক্ষ।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর দেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। তখন পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। সংবাদঃ ডিবিসি


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com
x
error: CONTENT IS PROTECETED !!