বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুরাদনগরে ভাষা শহীদদের স্মরনে প্রভাতফেরি আজ থেকে এক মাস বন্ধ সব কোচিং সেন্টার মুরাদনগরে স্থানীয় সম্পদ আহরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কোর্সের উদ্বোধন কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, কুমিল্লার নতুন কমিটি ঘোষনা মুরাদনগরে অবৈধ সীসা কারখানা সিলগালা, দুই লক্ষ টাকা জরিমানা ডাকাতির টাকা ভাগর দ্বন্দ্বে আ. লীগ নেতা খুন কুমিল্লায় যুবককে হত্যার দায়ে তিনজনের যাবজ্জীবন কুসিকের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র কিনলেন সাক্কু মুরাদনগরে অনুমোদনহীন হাসপাতাল সিলগালা, লাখ টাকা জরিমানা বাবুটিপাড়া ইউনিয়নে ২০০ টি পরিবারে স্বপ্নচূড়ার কম্বল বিতরণ বাঞ্ছারামপুরে চালক’কে হত্যা করে অটোরিক্সাসা ছিনতাই কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সরকার নির্বাচিত দেবিদ্বারে কাজী সাফিয়া সুলাইমান এতিমখানার ১০ হাফেজকে পাগড়ী প্রদান মুরাদনগরে নৌকায় ভোট চেয়ে ইউসুফ হারুনের উঠান বৈঠক

চাঁদপুরে মাত্র ১১ বছর বয়সে লঞ্চ তৈরি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬০৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ১১ বছর বয়সী মেধাবী শিক্ষার্থী মেহরাজ তার নিজের হাতে লঞ্চ তৈরি করে এলাকাবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিনই লঞ্চটি দেখতে এলাকায় মানুষের ভিড় দেখতে পাওয়াযায়। তৈরি করা লঞ্চটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কীর্তনখোলা-১০’।

বাবার সাথে একবার নদীপথে কীর্তনখোলা লঞ্চে বরিশাল যাতায়াত করে মেহরাজ। এরপর থেকেই লঞ্চ তৈরির আগ্রহ দেখায়। একপর্যায়ে বাবার অনুপ্রেরণায় ও সহযোগিতায় নিজের মেধা খাটিয়ে ককসিট, মোটর, লাইটিং ও ব্যাটারি দিয়ে নিজের হাতে লঞ্চটি তৈরি করে।

মাত্র ১১ বছর বয়সে কীর্তনখোলা-১০ তৈরি করা শিশুর পুরো নাম সাইদুল ইসলাম মেহরাজ। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬ নং গুপটি ইউনিয়নের ষোলদানা গ্রামে। সে হাজী বাড়ীর সোহেল রানার বড় ছেলে। বর্তমানে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। তার প্রখর মেধা ও পারদর্শিতা নজর কেড়েছে এলাকাবাসীর।

লঞ্চ তৈরির উপাদান সম্পর্কে জানতে চাইলে মেহরাজ জানায়, লঞ্চটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে ককসিট, ব্যাটারি চালিত মোটর, ম্যাজিক লাইট এবং গাম। লঞ্চের দৈর্ঘ ৫ ফুট, উচ্চতা ১০ ইঞ্চি, প্রস্থ ৯ ইঞ্চি। এটি দেখতে অবিকল কীর্তনখোলা-১০ এর মতো।

ব্যাটারি চালিত লঞ্চটি শিশুর নিজবাড়ির পুকুরে চলমান। লঞ্চটিতে ব্যবহার করা বিভিন্ন আলোকসজ্জা ও মিউজিক বাতির ঝলকানি মিটমিট করছে। নিখুত হাতে তৈরি করা লঞ্চটির ভেতরে রয়েছে মাস্টার ও যাত্রীদের কেবিন। যার সৌন্দর্য সবার নজর কেড়েছে। লঞ্চটি দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই লোকজন আসতে দেখা যায়।

উপজেলার বড়ালীয়া গ্রামের কে এম হাসান জানান, তিনি চাকরির সুবাদে বরিশালের লঞ্চে ভ্রমণ করেন। তার পাশের এলাকার এক শিশু বরিশালের লঞ্চ বানিয়েছে জানতে পেরে তিনি দেখতে এসেছেন। মেহরাজের লঞ্চটি দেখে তার মনে হচ্ছে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি কেউ এখানে ভাসিয়ে দিয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডে একটি শিশু লঞ্চ তৈরি করেছে শুনে মানুষ দেখতে আসে। তারা প্রশংসা করে। তাই আমিও দেখতে এসেছি। শিশুটির প্রতিভা দেখে এলাকার সবাই মুগ্ধ।’

সাইদুল ইসলাম মেহরাজ জানায়, কোনো কিছু দেখে সহজেই আয়ত্ত করতে পারে সে। ভালো লাগে নতুন কিছু করতে। লঞ্চ তৈরি করা তার শখের মধ্যে একটি। এর আগে সে উড়োজাহাজ তৈরি করেছে। মেহরাজ ভবিষ্যতে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়।

শিশুটির বাবা সোহেল রানা বলেন, ‘তিন সন্তানের মধ্যে মেহরাজ বড়। সে আমার সাথে নদীপথে ভ্রমণে গিয়েছিল। লঞ্চ দেখে বিভিন্ন কৌতূহলী প্রশ্ন করে। আমি সাধ্যমত উত্তর দিয়েছি। কয়েকদিন পর থেকেই তাকে লঞ্চ তৈরিতে ব্যস্ত দেখা যায়। আমিও তার আগ্রহে সাড়া দেই। মেহরাজ যেন ভবিষ্যতে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে দেশের জন্য ভলো কিছু করতে পারে। তাই আমি সবার দোয়া চাই।’


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com