1. admin@comillatimes.com : Comilla Times : Comilla Times
  2. fm.polash@gmail.com : Foyshal Movien Polash : Foyshal Movien Polash
  3. lalashimul@gmail.com : Sazzad Hossain Shimul : Sazzad Hossain Shimul
কুমিল্লায় রোগীর পেটে ব্যান্ডেজ-তুলা রেখে সেলাই করে দিলেন চিকিৎসক | Comilla Times
ব্রেকিং নিউজ
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
ইকবালকে সাথে নিয়ে পূজা মণ্ডপের সেই গদাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ! মুরাদনগরে পুলিশের জালে সেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ দুই পতিতা ভর্তি-ইচ্ছুকদের সহায়তায় তৎপর কুবি আঞ্চলিক সংগঠনগুলো কুবিতে গুচ্ছ পদ্ধতির ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু দেবীদ্বারে যুবলীগের আয়োজনে শান্তি-সম্প্রীতি র‌্যালী ও আলোচনা সভায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষ; আহত-১০ পূজামণ্ডপের ঘটনায় ৭ দিনের রিমান্ডে ইকবাল নবীনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী’র পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে কুবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কুমিল্লার ঘটনায় কক্সবাজার থেকে ইকবাল আটক কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ট্রাভেলার্স সোসাইটির যাত্রা শুরু বাঙ্গরায় হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার কুমিল্লায় কোরআন অবমাননার ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার “কুমিল্লা টাইমস টিভি” দেশের অন্যতম সংবাদ মাধ্যম চিত্রাংকনে জেলায় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেছে মুরাদনগরের শাফি মুরাদনগরে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই

কুমিল্লায় রোগীর পেটে ব্যান্ডেজ-তুলা রেখে সেলাই করে দিলেন চিকিৎসক

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা টাইমস

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার বরুড়ায় পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন করা ও পেটের ভেতর তুলা-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দিয়েছেন চিকিৎসক। ১২ এপ্রিল ওই উপজেলার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘ তিন মাস অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার পর ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে রোগীকে সুস্থ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব নামে ফেয়ার হসপিটালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়ার রাজাপুর গ্রামের কাশেম শফি উল্লার মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ওই রাতে স্বজনরা তাকে ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করান। ১৩ এপ্রিলে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে অপারেশন করেন ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব। ওই সময় পেটে তুলা-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন তিনি। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। কিন্তু তিন মাসেও ব্যথা না কমায় বোনের আলট্রাসনোগ্রাফি করান ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। রিপোর্টে পেটে অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে পুঁজ বের করেন।

মামলার বাদী তানজীদ রফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও ডা. রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপরারেশন করেন। আমি তাদের বিচার চাই।

কুমিল্লার বরুড়ায় পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন করা ও পেটের ভেতর তুলা-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দিয়েছেন চিকিৎসক। ১২ এপ্রিল ওই উপজেলার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘ তিন মাস অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার পর ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে রোগীকে সুস্থ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব নামে ফেয়ার হসপিটালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়ার রাজাপুর গ্রামের কাশেম শফি উল্লার মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ওই রাতে স্বজনরা তাকে ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করান। ১৩ এপ্রিলে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে অপারেশন করেন ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব। ওই সময় পেটে তুলা-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন তিনি। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। কিন্তু তিন মাসেও ব্যথা না কমায় বোনের আলট্রাসনোগ্রাফি করান ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। রিপোর্টে পেটে অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে পুঁজ বের করেন।মামলার বাদী তানজীদ রফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও ডা. রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপরারেশন করেন। আমি তাদের বিচার চাই।আসামি ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, অপারেশনের দিন ও রোগীকে ছাড়পত্র দেয়ার দিন আমি ছিলাম না। অপারেশন করেছেন ডা. রাজিব। ওই সময় রোগীর পিরিয়ড চলছিল। পিরিয়ডের কারণে তার পেটে ব্যথা হয়েছে ভেবে আমি ওষুধ দিয়েছি।

আরেক আসামি ডা. রাশেদ উজ-জামান রাজিব বলেন, যেহেতু ঘটনার চার মাস পার হয়েছে। আমি বিস্তারিত জেনেই কথা বলবো।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com
x
error: CONTENT IS PROTECETED !!