বিজ্ঞপ্তি:
"কুমিল্লা টাইমস টিভিতে" আপনার প্রতিষ্ঠান অথবা নির্বাচনী প্রচারনার জন্য এখনি যোগাযোগ করুন : ০১৬২২৩৮৮৫৪০ এই নম্বরে
শিরোনাম:
মুরাদনগরে স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত, যুবক গ্রেপ্তার মুরাদনগরে সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ অমান্য করায় স্বরাষ্ট্রসচিবসহ ১৩ জনকে উকিল নোটিশ মুরাদনগরে গ্রামীণ ঐতিহ্যের শীতকালীন পিঠা উৎসব কুমিল্লার বাঙ্গরায় জেলা পরিষদের সুপার মার্কেটের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনিমার্ণ ও মানসম্মত শিক্ষাকরনে সভা মুরাদনগরে জমির মাটি রক্ষা করতে গিয়ে কৃষক খুন প্রেমিক-প্রেমিকা একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার মৃত্যু বাঙ্গরায় গাঁজাসহ ৩ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মুরাদনগরে ডাকাত সন্দেহে দুই যুবকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন শাঁখা—সিঁদুর পরে পূজামণ্ডপে গিয়ে সোনার চেইন ছিনতাই: ৩ মুসলিম নারী আটক সোনারামপুর যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রথন প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত মুরাদনগরে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাঙ্গরাবাজার থানা যুবলীগের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরন কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের নতুন কমিটি ঘোষণা মুরাদনগরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই যুবকের মৃত্যু

কুমিল্লায় রোগীর পেটে ব্যান্ডেজ-তুলা রেখে সেলাই করে দিলেন চিকিৎসক

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা টাইমস

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার বরুড়ায় পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন করা ও পেটের ভেতর তুলা-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দিয়েছেন চিকিৎসক। ১২ এপ্রিল ওই উপজেলার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘ তিন মাস অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার পর ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে রোগীকে সুস্থ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব নামে ফেয়ার হসপিটালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়ার রাজাপুর গ্রামের কাশেম শফি উল্লার মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ওই রাতে স্বজনরা তাকে ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করান। ১৩ এপ্রিলে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে অপারেশন করেন ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব। ওই সময় পেটে তুলা-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন তিনি। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। কিন্তু তিন মাসেও ব্যথা না কমায় বোনের আলট্রাসনোগ্রাফি করান ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। রিপোর্টে পেটে অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে পুঁজ বের করেন।

মামলার বাদী তানজীদ রফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও ডা. রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপরারেশন করেন। আমি তাদের বিচার চাই।

কুমিল্লার বরুড়ায় পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই অপারেশন করা ও পেটের ভেতর তুলা-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দিয়েছেন চিকিৎসক। ১২ এপ্রিল ওই উপজেলার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘ তিন মাস অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার পর ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে রোগীকে সুস্থ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব নামে ফেয়ার হসপিটালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়ার রাজাপুর গ্রামের কাশেম শফি উল্লার মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ওই রাতে স্বজনরা তাকে ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করান। ১৩ এপ্রিলে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে অপারেশন করেন ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব। ওই সময় পেটে তুলা-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন তিনি। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন। কিন্তু তিন মাসেও ব্যথা না কমায় বোনের আলট্রাসনোগ্রাফি করান ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। রিপোর্টে পেটে অস্বাভাবিক কিছুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে পুঁজ বের করেন।মামলার বাদী তানজীদ রফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও ডা. রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপরারেশন করেন। আমি তাদের বিচার চাই।আসামি ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, অপারেশনের দিন ও রোগীকে ছাড়পত্র দেয়ার দিন আমি ছিলাম না। অপারেশন করেছেন ডা. রাজিব। ওই সময় রোগীর পিরিয়ড চলছিল। পিরিয়ডের কারণে তার পেটে ব্যথা হয়েছে ভেবে আমি ওষুধ দিয়েছি।

আরেক আসামি ডা. রাশেদ উজ-জামান রাজিব বলেন, যেহেতু ঘটনার চার মাস পার হয়েছে। আমি বিস্তারিত জেনেই কথা বলবো।


কুমিল্লা টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সকল স্বত্বঃ কুমিল্লা টাইমস কতৃক সংরক্ষিত

Site Customized By NewsTech.Com